বিচারকের আসনে রুহানী সালসাবিল, স্মৃতিকাতর উপস্থাপিকা
- আপডেট সময় : ০২:০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

উপস্থাপনা দিয়ে পরিচিতি পাওয়া রুহানী সালসাবিল একাধারে একজন নৃত্যশিল্পী ও পেশায় স্থপতি। লাবণ্য নামেও পরিচিত এই তারকা মাঝে মাঝে অভিনয়ে সরব থাকলেও বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন। উপস্থাপনা, নৃত্যচর্চা এবং পেশাগত কাজের ব্যস্ততার পাশাপাশি সংসার ও সন্তান শীর্ষকে নিয়েই তার বর্তমান স্বপ্ন ও ব্যস্ততা।
ছোটবেলা থেকে নৃত্যের সঙ্গে পথচলা রুহানীর। জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতায় মনিপুরী নৃত্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবও রয়েছে তার। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি ‘শাপলা কুঁড়ি ২০২৬’-এর ঢাকা বিভাগের নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগেও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে বসেছেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা তার কাছে আনন্দ ও আবেগের এক সংমিশ্রণ।
বিচারকের আসনে বসে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে রুহানী বলেন, ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতেন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। সে সময় ভরতনাট্যমের মহারথি বেলায়েত স্যারকে বিচারক হিসেবে পেতেন। আজ সেই বেলায়েত স্যারের পাশের চেয়ারে বসে বিচারক হতে পারাটা তার জন্য ভীষণ আনন্দের। ২০১০ সালে বিটিভিতে এনলিস্টেড হওয়ার পরীক্ষায় শিক্ষক সোহাগ স্যারের কোরিওগ্রাফিতে ‘হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে’ গানে নাচের স্মৃতিও তিনি রোমন্থন করেন।
বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের নৃত্যদক্ষতার প্রশংসা করে রুহানী বলেন, এ সময়ের বাচ্চারা আগের চেয়ে অনেক বেশি পারদর্শী, তাই তাদের বিচার করা বেশ কঠিন। ‘শাপলা কুঁড়ি ২০২৬’-এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা দ্রুতই আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।
উপস্থাপনার কাজে নিয়মিত ব্যস্ত থাকলেও আগের তুলনায় টেলিভিশনে কাজের পরিমাণ কিছুটা কমিয়েছেন। বর্তমানে বিটিভিতে ‘সেলিব্রিটি শো’, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘ক্যাচ দ্য স্টার’, আরটিভিতে ‘সেফস স্টুডিও’, এসএটিভিতে ‘সাইন অন’ এবং দেশ টিভিতে ‘স্টার লাউঞ্জ’ অনুষ্ঠানগুলোতে তাকে উপস্থাপনা করতে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর রেডিসনে একটি করপোরেট অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছেন এবং আগামী মঙ্গলবারও একটি অনুষ্ঠানে কাজ করার কথা রয়েছে তার। আয়োজকরা মূলত ইংরেজি উপস্থাপনার জন্য তাকে বেশি ডাকলেও বাংলায়ও নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। সব ব্যস্ততার মাঝে একজন স্থপতি হিসেবে নিজের অফিসে পেশাগত দায়িত্বও সমানতালে পালন করছেন রুহানী সালসাবিল।




























