ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ঈশ্বরদীর স্বপ্নদ্বীপে নানা আয়োজন চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনে ১৩ জনের মৃত্যু বেলকুচিতে পারিবারিক কলহে গুলি, গ্রেপ্তার ২ এমপির মদতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের ঘটনায় টিআইবির গভীর উদ্বেগ সিরাজগঞ্জে অভিযাত্রী সংসদের নতুন বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালপুরে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলের চিকিৎসাসেবা জিম্মি স্বাচিপের দখলে, ব্যাহত জনস্বাস্থ্য আটঘরিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নোবিপ্রবির বাসচালককে মারধর ও লুকিং গ্লাস ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বিরাট কোহলি

এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। দেশে-বিদেশে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-مامুন এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বর্তমান বিশ্ব ক্রমশ আন্তঃসংযুক্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত একটি ভাষার দক্ষতা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সক্ষম করে তুলবে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ম্যান্ডারিন (চীনা), জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবিসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সব বিভাগীয় অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করে তৃতীয় ভাষা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ উদ্যোগে অন্যতম অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে স্থানীয় ও বিদেশি ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণের প্রয়োজন হবে জানিয়ে ইউজিসি সদস্য বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট embassy বা দূতাবাসগুলোর সঙ্গে ইউজিসি নিবিড়ভাবে কাজ করবে। বিশেষ করে ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ভাষা হিসেবে বিবেচনা করায় চীনা দূতাবাসের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, যৌথ একাডেমিক কর্মসূচি, গবেষণা ফেলোশিপ, সামার স্কুল, একাডেমিক সম্মেলন এবং শিক্ষক ও গবেষক বিনিময়ের মতো আন্তর্জাতিক সুযোগ সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার একটি আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অধ্যাপক মামুন বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌথ ও দ্বৈত ডিগ্রি (জয়েন্ট ও ডুয়াল ডিগ্রি) চালুর বিষয়ে কাজ করছে ইউজিসি। চীনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এই সহযোগিতা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিকীকরণে বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, উৎপাদন, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, লজিস্টিকস, প্রকৌশল ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বহুমুখী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নিজ বিষয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ভাষা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক দক্ষতা থাকলে আমাদের স্নাতকদের জন্য বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে বড় সুযোগ তৈরি হবে। তাই তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির একটি কৌশল হিসেবে দেখা উচিত।

গবেষণা সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদীয়মান প্রযুক্তি, কৃষি, জলবায়ু, প্রকৌশল, জীবপ্রযুক্তি ও জনস্বাস্থ্যের মতো ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এ ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, মেধা পাচার বা 'ব্রেইন ড্রেইন' রোধ করে 'ব্রেইন সার্কুলেশনের' দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় যুক্ত করতে হবে। ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, সামার স্কুল, যৌথ তত্ত্বাবধান ও গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জ্ঞান নেটওয়ার্ককে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবপ্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনা ভাষা, ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জানার সুযোগ পাবেন এবং একইভাবে চীনা শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশের ভাষা ও সমাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিসি ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ঝাও জুনমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের party কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি, বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। দেশে-বিদেশে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-مامুন এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বর্তমান বিশ্ব ক্রমশ আন্তঃসংযুক্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত একটি ভাষার দক্ষতা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সক্ষম করে তুলবে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ম্যান্ডারিন (চীনা), জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবিসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সব বিভাগীয় অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করে তৃতীয় ভাষা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ উদ্যোগে অন্যতম অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে স্থানীয় ও বিদেশি ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণের প্রয়োজন হবে জানিয়ে ইউজিসি সদস্য বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট embassy বা দূতাবাসগুলোর সঙ্গে ইউজিসি নিবিড়ভাবে কাজ করবে। বিশেষ করে ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ভাষা হিসেবে বিবেচনা করায় চীনা দূতাবাসের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, যৌথ একাডেমিক কর্মসূচি, গবেষণা ফেলোশিপ, সামার স্কুল, একাডেমিক সম্মেলন এবং শিক্ষক ও গবেষক বিনিময়ের মতো আন্তর্জাতিক সুযোগ সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার একটি আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অধ্যাপক মামুন বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌথ ও দ্বৈত ডিগ্রি (জয়েন্ট ও ডুয়াল ডিগ্রি) চালুর বিষয়ে কাজ করছে ইউজিসি। চীনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এই সহযোগিতা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিকীকরণে বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, উৎপাদন, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, লজিস্টিকস, প্রকৌশল ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বহুমুখী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নিজ বিষয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ভাষা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক দক্ষতা থাকলে আমাদের স্নাতকদের জন্য বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে বড় সুযোগ তৈরি হবে। তাই তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির একটি কৌশল হিসেবে দেখা উচিত।

গবেষণা সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদীয়মান প্রযুক্তি, কৃষি, জলবায়ু, প্রকৌশল, জীবপ্রযুক্তি ও জনস্বাস্থ্যের মতো ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এ ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, মেধা পাচার বা 'ব্রেইন ড্রেইন' রোধ করে 'ব্রেইন সার্কুলেশনের' দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় যুক্ত করতে হবে। ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, সামার স্কুল, যৌথ তত্ত্বাবধান ও গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জ্ঞান নেটওয়ার্ককে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবপ্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনা ভাষা, ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জানার সুযোগ পাবেন এবং একইভাবে চীনা শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশের ভাষা ও সমাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিসি ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ঝাও জুনমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের party কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি, বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh