ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার ভালো কিংবা মন্দ, সরকারের পাঁচ বছরের ‘চুক্তি’ মেনেই ধৈর্য ধরার পরামর্শ প্রতিবাদ ও ‘আগের ১৪ বছর’ বিতর্ক: একটি সামাজিক বিশ্লেষণ রাড্ডা ক্লিনিকে হামলায় ওসির অবহেলার প্রমাণ, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৮ লাখ টাকার সিরিঞ্জসহ নারী যাত্রী আটক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন আইনমন্ত্রী

ভোলার মেঘনায় ২৪ কেজির ব্ল্যাক কার্প, বিক্রি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি বিশাল ব্ল্যাক কার্প মাছ ধরা পড়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তালতলী (ইলিশা) মাছঘাটে আনা হলে এটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরে নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।

মাছঘাট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার আজ দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। জাল তোলার সময় বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে এটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে তোলা হয়, যেখানে উপস্থিত আড়তদার ও স্থানীয় ক্রেতারা দর হাঁকতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয় এবং পরে ১৮ জন মিলে এটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান জানান, গত কয়েক দিন ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কিছুটা বাড়ায় ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। তাঁর মতে, ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে এই ব্ল্যাক কার্পটির দাম আরও বেশি হতে পারত। মাছটি দেখতে লঞ্চঘাট এলাকার যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমেছিল। নৌকার জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাঁরা আগে খুব একটা দেখেননি এবং মাছটি জালে উঠতেই সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তবে জেলে সুলতান সরদারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া ছবিটি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়; এটি পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের একটি স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ। বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে এর চাষ করা হয় এবং এ মাছের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুক।

মেহেদী হাসান ভুঁইয়া আরও বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাক কার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প বেশি দেখা যায়। বর্ষা বা বন্যার সময় এ ধরনের মাছ পুকুর থেকে নদীতে চলে যেতে পারে। ভোলার মেঘনায় ধরা পড়া ২৪ কেজির এই ব্ল্যাক কার্প সেই বিরল ঘটনারই একটি উদাহরণ, যেখানে বন্যার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে গিয়ে নদীতে টিকে থাকতে পারলে মাছটি বড় আকার ধারণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলার মেঘনায় ২৪ কেজির ব্ল্যাক কার্প, বিক্রি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায়

আপডেট সময় : ১২:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি বিশাল ব্ল্যাক কার্প মাছ ধরা পড়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তালতলী (ইলিশা) মাছঘাটে আনা হলে এটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরে নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।

মাছঘাট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার আজ দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। জাল তোলার সময় বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে এটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে তোলা হয়, যেখানে উপস্থিত আড়তদার ও স্থানীয় ক্রেতারা দর হাঁকতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয় এবং পরে ১৮ জন মিলে এটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান জানান, গত কয়েক দিন ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কিছুটা বাড়ায় ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। তাঁর মতে, ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে এই ব্ল্যাক কার্পটির দাম আরও বেশি হতে পারত। মাছটি দেখতে লঞ্চঘাট এলাকার যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমেছিল। নৌকার জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাঁরা আগে খুব একটা দেখেননি এবং মাছটি জালে উঠতেই সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তবে জেলে সুলতান সরদারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া ছবিটি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়; এটি পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের একটি স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ। বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে এর চাষ করা হয় এবং এ মাছের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুক।

মেহেদী হাসান ভুঁইয়া আরও বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাক কার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প বেশি দেখা যায়। বর্ষা বা বন্যার সময় এ ধরনের মাছ পুকুর থেকে নদীতে চলে যেতে পারে। ভোলার মেঘনায় ধরা পড়া ২৪ কেজির এই ব্ল্যাক কার্প সেই বিরল ঘটনারই একটি উদাহরণ, যেখানে বন্যার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে গিয়ে নদীতে টিকে থাকতে পারলে মাছটি বড় আকার ধারণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo