ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কর্ণফুলী ইপিজেডে ২০ বছরে বিনিয়োগ ৪১২ গুণ বৃদ্ধি নদীর সংখ্যা আছে, কিন্তু প্রাণ হারিয়েছে বাংলাদেশের নদ-নদী আলোকঝাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে হুইপের শোক চট্টগ্রাম আদালতে নারীকে টেনেহিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: কূটনীতিই একমাত্র সমাধানের পথ, দাবি তেহরানের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার

জাতিসংঘে ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রদত্ত ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবন থেকে পাঠানো এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি এই অভিনন্দন জানান।

অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং একটি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে। এছাড়া দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ কৌশলের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান ও অগ্রাধিকারের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট চাপ, জ্বালানি সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির মতো বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঠিক চিত্র তুলে ধরার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘকে একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সংঘাতময় বিশ্বে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান তিনি স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়টিও তার বার্তায় স্থান পায়, যা জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ দেয়াকে রাষ্ট্রপতি একটি জাতির জন্য গৌরবময় ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন। সবশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য এবং তার নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

আপডেট সময় : ০২:১৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রদত্ত ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবন থেকে পাঠানো এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি এই অভিনন্দন জানান।

অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং একটি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে। এছাড়া দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ কৌশলের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান ও অগ্রাধিকারের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট চাপ, জ্বালানি সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির মতো বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঠিক চিত্র তুলে ধরার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘকে একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সংঘাতময় বিশ্বে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান তিনি স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়টিও তার বার্তায় স্থান পায়, যা জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ দেয়াকে রাষ্ট্রপতি একটি জাতির জন্য গৌরবময় ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন। সবশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য এবং তার নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh