ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্যামনগরে মুন্ডা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব উদযাপিত মালয়েশিয়ায় শিশু নির্যাতনবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশি সহ ৫৩ জন আটক ইউরোপের কৌশলগত অংশীদার হতে এয়ারবাস কেনা গুরুত্বপূর্ণ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত জ্বালানি অস্থিরতার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দায়ী: রুহুল কবির রিজভী বিএসসিপিএলসির মনোপলিতে আটকে আছে সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের স্বপ্ন গ্রিনল্যান্ড চুক্তি: ট্রাম্পের কূটনৈতিক জয় নাকি বাহ্যিক কৌশল ডায়ানার ছবি নিয়ে ভুল স্বীকার, মরগানের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্পেন্সার সাতক্ষীরায় ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ভারত-জাপান ম্যাচে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন তৈরি হলো বিতর্ক জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ২০ টাকা বাড়ানোর বিকল্প যেখানে ছিল

হোসেনপুরে পার্চিং পদ্ধতিতে ধানখেতে কমছে কীটনাশকের ব্যবহার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় রোপা আমন মৌসুমে ধানখেতের ক্ষতিকর পোকা দমনে অত্যন্ত কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ফসলের মাঠে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দিচ্ছেন, যেখানে পাখিরা এসে বসছে এবং ধানখেতের ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খেয়ে ফেলছে। এই প্রাকৃতিক উপায়ে পোকা দমনের ফলে কীটনাশকের ব্যবহার যেমন কমছে, তেমনি ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচও সাশ্রয় হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা এখন ব্যাপক হারে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। স্থানীয় ব্লক সুপারভাইজার ও কৃষি উপ-সহকারী জাহিদ হাসান রণি জানান, পার্চিং অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি, যা কৃষকদের স্বল্প পরিশ্রমে ভালো ফলাফল দিচ্ছে। এর ফলে কৃষকেরা এখন উপকারী ও ক্ষতিকর পোকার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারছেন এবং কোনো পোকা দেখলেই কীটনাশক প্রয়োগের ভুল ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসছেন।

চরহাজিপুর গ্রামের কৃষক স্বপন মিয়া ও চরকাটিহারী গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, ধানখেতে পার্চিংয়ের জন্য বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করায় পোকার আক্রমণ অনেকাংশে কমে গেছে। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, একটি পাখি যদি একটি ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলে, তবে পরোক্ষভাবে ১৫০ থেকে ২৫০টি পোকা দমন করা সম্ভব হয়, কারণ একটি ক্ষতিকর পোকা সাধারণত ১৫০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী, জমির আইল থেকে শুরু করে ধানখেতের মাঝামাঝি অবস্থানে পার্চিং স্থাপন করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ মহসিন জানান, পার্চিংয়ের মাধ্যমে পাখি সহজেই ফসলের ক্ষতিকর পোকা ধ্বংস করতে পারে, যা পোকার বংশবিস্তার রোধ করে। এই পদ্ধতির প্রসারের ফলে ধানখেতে কীটনাশকের ব্যবহার বহুলাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

হোসেনপুরে পার্চিং পদ্ধতিতে ধানখেতে কমছে কীটনাশকের ব্যবহার

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় রোপা আমন মৌসুমে ধানখেতের ক্ষতিকর পোকা দমনে অত্যন্ত কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ফসলের মাঠে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দিচ্ছেন, যেখানে পাখিরা এসে বসছে এবং ধানখেতের ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খেয়ে ফেলছে। এই প্রাকৃতিক উপায়ে পোকা দমনের ফলে কীটনাশকের ব্যবহার যেমন কমছে, তেমনি ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচও সাশ্রয় হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা এখন ব্যাপক হারে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। স্থানীয় ব্লক সুপারভাইজার ও কৃষি উপ-সহকারী জাহিদ হাসান রণি জানান, পার্চিং অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি, যা কৃষকদের স্বল্প পরিশ্রমে ভালো ফলাফল দিচ্ছে। এর ফলে কৃষকেরা এখন উপকারী ও ক্ষতিকর পোকার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারছেন এবং কোনো পোকা দেখলেই কীটনাশক প্রয়োগের ভুল ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসছেন।

চরহাজিপুর গ্রামের কৃষক স্বপন মিয়া ও চরকাটিহারী গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, ধানখেতে পার্চিংয়ের জন্য বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করায় পোকার আক্রমণ অনেকাংশে কমে গেছে। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, একটি পাখি যদি একটি ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলে, তবে পরোক্ষভাবে ১৫০ থেকে ২৫০টি পোকা দমন করা সম্ভব হয়, কারণ একটি ক্ষতিকর পোকা সাধারণত ১৫০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী, জমির আইল থেকে শুরু করে ধানখেতের মাঝামাঝি অবস্থানে পার্চিং স্থাপন করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ মহসিন জানান, পার্চিংয়ের মাধ্যমে পাখি সহজেই ফসলের ক্ষতিকর পোকা ধ্বংস করতে পারে, যা পোকার বংশবিস্তার রোধ করে। এই পদ্ধতির প্রসারের ফলে ধানখেতে কীটনাশকের ব্যবহার বহুলাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh