ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ দিনে গ্রাহকদের ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে কার্যক্রম শুরুর প্রথম দুই দিনে গ্রাহকেরা মোট ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত এই ব্যাংকটি থেকে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনে ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ৩২৭ কোটি টাকা তুলে নেন। এর আগে প্রথম দিন সোমবার ২৫৪ কোটি টাকা উত্তোলন করেছিলেন ৫ হাজার ৫৩২ জন গ্রাহক। সব মিলিয়ে দুই দিনে ব্যাংকটি থেকে টাকা তুলেছেন ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহক।

আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশ্বস্ত করেছে যে কোনো গ্রাহক যাতে টাকা না পেয়ে ফিরে না যান, সে জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর আগে ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমানত ফেরত নেওয়ার জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। ওই সময়ে ৭৪ হাজার গ্রাহক মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

উল্লেখ্য, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত করে এই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছিল। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংকটে পড়া এই পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়। একীভূতকরণের পর ব্যাংকগুলোর সব শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করে মালিকানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় সরকার।

বর্তমানে একীভূত হওয়া এই পাঁচ ব্যাংকের শাখাগুলো দেশজুড়ে পৃথকভাবেই পরিচালিত হচ্ছে। সারা দেশে এই ব্যাংকগুলোর মোট শাখার সংখ্যা ৭৬১টি। আমানত ফেরতের পাশাপাশি ব্যাংকটিতে অনলাইনে অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যার ফলে দীর্ঘ স্থবিরতার পর নতুন এই ব্যাংকের কার্যক্রমে গতি ফিরতে শুরু করেছে। একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের (এস আলম) নিয়ন্ত্রণে ছিল। আর এক্সিম ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ দিনে গ্রাহকদের ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন

আপডেট সময় : ০১:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে কার্যক্রম শুরুর প্রথম দুই দিনে গ্রাহকেরা মোট ৫৮১ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত এই ব্যাংকটি থেকে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনে ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ৩২৭ কোটি টাকা তুলে নেন। এর আগে প্রথম দিন সোমবার ২৫৪ কোটি টাকা উত্তোলন করেছিলেন ৫ হাজার ৫৩২ জন গ্রাহক। সব মিলিয়ে দুই দিনে ব্যাংকটি থেকে টাকা তুলেছেন ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহক।

আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশ্বস্ত করেছে যে কোনো গ্রাহক যাতে টাকা না পেয়ে ফিরে না যান, সে জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর আগে ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমানত ফেরত নেওয়ার জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। ওই সময়ে ৭৪ হাজার গ্রাহক মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

উল্লেখ্য, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত করে এই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছিল। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সংকটে পড়া এই পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়। একীভূতকরণের পর ব্যাংকগুলোর সব শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করে মালিকানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় সরকার।

বর্তমানে একীভূত হওয়া এই পাঁচ ব্যাংকের শাখাগুলো দেশজুড়ে পৃথকভাবেই পরিচালিত হচ্ছে। সারা দেশে এই ব্যাংকগুলোর মোট শাখার সংখ্যা ৭৬১টি। আমানত ফেরতের পাশাপাশি ব্যাংকটিতে অনলাইনে অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যার ফলে দীর্ঘ স্থবিরতার পর নতুন এই ব্যাংকের কার্যক্রমে গতি ফিরতে শুরু করেছে। একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের (এস আলম) নিয়ন্ত্রণে ছিল। আর এক্সিম ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din