ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শরণখোলায় জেলের জালে ২০ কেজি ওজনের বিশাল কোরাল মাছ মুম্বাইয়ে সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে জেল ভরো আন্দোলনের ডাক সিজেপির ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সাথে মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনা সিঙ্গাপুরের কাছে হেরে আসিয়ান কাপ থেকে বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ হুমকি দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না, চুয়েটে মধ্যরাতে বিক্ষোভ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লাখ টাকা দেবে জামায়াত বিচারকের আসনে রুহানী সালসাবিল, স্মৃতিকাতর উপস্থাপিকা অক্টোবরে শুরু হচ্ছে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম সরবরাহ: রোসাটম লাকসাম প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠনে এমপির নির্দেশ, সাংবাদিক মহলে বিতর্ক শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধে আরওপি স্ক্রিনিং ও সচেতনতার আহ্বান

ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স’ পরমাণু স্থাপনায় ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের ভূগর্ভস্থ অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘পিকঅ্যাক্স’ পারমাণবিক স্থাপনায় খুব শিগগির নতুন করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্পের এই নতুন হুমকির পর তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে ‘কুহ-ই কোলাং গাজলা’ নামে পরিচিত এই পিকঅ্যাক্স পর্বতটি ইরানের ইস্পাহান প্রদেশে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, এটি রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং দেশটির অন্যতম প্রধান নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, অত্যন্ত শক্ত গ্রানাইট পাথরের পাহাড়ের কয়েক শ মিটার গভীরে এই স্থাপনাটি তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হয়, এর মূল কক্ষগুলো মাটির অন্তত ১০০ মিটার নিচে রয়েছে। মার্কিন স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি’ জানিয়েছে, এই পর্বতের পারমাণবিক কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। তবে পশ্চিমা বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের পরিচিত পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলার আশঙ্কার মুখে পাহাড়ের ভেতরে এই অঘোষিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই।

কৌশলগতভাবে পিকঅ্যাক্স পর্বতের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি এখনো পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন হামলায় ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানের বিভিন্ন পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পিকঅ্যাক্স পর্বত সুরক্ষিত ছিল। ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির তথ্যমতে, সে সময় কেবল পাহাড়ের খনন করা মাটি ও পাথরের স্তূপের কাছে থাকা একটি গাড়ি ধ্বংস হয়েছিল। চলমান যুদ্ধেও এই স্থাপনাটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। ফলে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক অবকাঠামো পুনর্গঠনে এই পাহাড়ের ভেতরের সুড়ঙ্গগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। অন্য স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই সুড়ঙ্গগুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, সেন্ট্রিফিউজ তৈরি বা যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ চালানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত জুলাই মাসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত বছরের শেষ দিকে ইরান হাজার হাজার সেন্ট্রিফিউজ এই পাহাড়ি সুড়ঙ্গে সরিয়ে নিয়েছিল। তবে মার্কিন প্রশাসন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্কিন হামলায় নাতাঞ্জ ও ফোর্দোর সচল থাকা প্রায় ১৮ হাজার সেন্ট্রিফিউজের একটি বড় অংশ ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া সেন্ট্রিফিউজ তৈরির কয়েকটি কারখানাসহ ইস্পাহানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর প্রবেশপথও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সে সময় প্রায় চার হাজার সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করা থাকলেও সেগুলো চালু ছিল না, যার কিছু অংশ হয়তো এখনো অক্ষত রয়েছে। বর্তমানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট নয়, কারণ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ধারণা করা হয়, ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য এই ইউরেনিয়ামকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করতে হবে। তবে এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সেন্ট্রিফিউজগুলো কতটা সচল আছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের দাবি এবং বাস্তবতার মধ্যেও ফারাক রয়েছে। ২০২৫ সালের হামলার পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনা ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করা হয়েছে। তবে এর কিছুদিন পরই ফাঁস হওয়া মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়, স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাদের হাশেমি আল-জাজিরাকে বলেন, সাম্প্রতিক দুই দফা হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে তা স্পষ্ট না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে গত কয়েক মাস ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা কোনো চুক্তি ছাড়াই গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে শেষ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পিকঅ্যাক্স পর্বত নিয়ে ট্রাম্পের নতুন হুমকি সংঘাতের আশঙ্কাকে আরও উসকে দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স’ পরমাণু স্থাপনায় ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের ভূগর্ভস্থ অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘পিকঅ্যাক্স’ পারমাণবিক স্থাপনায় খুব শিগগির নতুন করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্পের এই নতুন হুমকির পর তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে ‘কুহ-ই কোলাং গাজলা’ নামে পরিচিত এই পিকঅ্যাক্স পর্বতটি ইরানের ইস্পাহান প্রদেশে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, এটি রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং দেশটির অন্যতম প্রধান নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, অত্যন্ত শক্ত গ্রানাইট পাথরের পাহাড়ের কয়েক শ মিটার গভীরে এই স্থাপনাটি তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হয়, এর মূল কক্ষগুলো মাটির অন্তত ১০০ মিটার নিচে রয়েছে। মার্কিন স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি’ জানিয়েছে, এই পর্বতের পারমাণবিক কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। তবে পশ্চিমা বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের পরিচিত পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলার আশঙ্কার মুখে পাহাড়ের ভেতরে এই অঘোষিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই।

কৌশলগতভাবে পিকঅ্যাক্স পর্বতের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি এখনো পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন হামলায় ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানের বিভিন্ন পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পিকঅ্যাক্স পর্বত সুরক্ষিত ছিল। ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির তথ্যমতে, সে সময় কেবল পাহাড়ের খনন করা মাটি ও পাথরের স্তূপের কাছে থাকা একটি গাড়ি ধ্বংস হয়েছিল। চলমান যুদ্ধেও এই স্থাপনাটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। ফলে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক অবকাঠামো পুনর্গঠনে এই পাহাড়ের ভেতরের সুড়ঙ্গগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। অন্য স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই সুড়ঙ্গগুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, সেন্ট্রিফিউজ তৈরি বা যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ চালানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত জুলাই মাসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত বছরের শেষ দিকে ইরান হাজার হাজার সেন্ট্রিফিউজ এই পাহাড়ি সুড়ঙ্গে সরিয়ে নিয়েছিল। তবে মার্কিন প্রশাসন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্কিন হামলায় নাতাঞ্জ ও ফোর্দোর সচল থাকা প্রায় ১৮ হাজার সেন্ট্রিফিউজের একটি বড় অংশ ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া সেন্ট্রিফিউজ তৈরির কয়েকটি কারখানাসহ ইস্পাহানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর প্রবেশপথও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সে সময় প্রায় চার হাজার সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করা থাকলেও সেগুলো চালু ছিল না, যার কিছু অংশ হয়তো এখনো অক্ষত রয়েছে। বর্তমানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট নয়, কারণ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ধারণা করা হয়, ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য এই ইউরেনিয়ামকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করতে হবে। তবে এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সেন্ট্রিফিউজগুলো কতটা সচল আছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের দাবি এবং বাস্তবতার মধ্যেও ফারাক রয়েছে। ২০২৫ সালের হামলার পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনা ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করা হয়েছে। তবে এর কিছুদিন পরই ফাঁস হওয়া মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়, স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাদের হাশেমি আল-জাজিরাকে বলেন, সাম্প্রতিক দুই দফা হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে তা স্পষ্ট না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে গত কয়েক মাস ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা কোনো চুক্তি ছাড়াই গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে শেষ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পিকঅ্যাক্স পর্বত নিয়ে ট্রাম্পের নতুন হুমকি সংঘাতের আশঙ্কাকে আরও উসকে দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo