ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অক্টোবরে একদিনের ছুটি নিলেই মিলবে টানা পাঁচ দিনের ছুটি

বড় পর্দায় মির্জাপুর: পরিচিত আমেজ ফিরলেও গল্পে দীর্ঘসূত্রতার ছাপ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



‘মির্জাপুর’ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বন্দুকের গর্জন, ক্ষমতার লড়াই, বিশ্বাসঘাতকতা আর দাপুটে ভয়ের পরিবেশ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তিনটি সফল মৌসুম পার করার পর, এবার সেই পরিচিত জগত উঠে এসেছে বড় পর্দায়। ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ দর্শকদের পুরোনো চরিত্রগুলোর সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু ছবিটির বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটি কোথায় থামতে হবে, তা যেন ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি।

পুনীত কৃষ্ণের চিত্রনাট্যে গুরমিত সিং পরিচালিত এই সিনেমাটি মূল সিরিজের সরাসরি পরবর্তী কোনো গল্প নয়। বরং এটি সিরিজের প্রথম মৌসুমের সমসাময়িক একটি ঘটনাপ্রবাহ, যার ফলে পর্দায় ফিরে এসেছে সুইটি, বাবলু ও মুন্না ভাইয়ার মতো চরিত্রগুলো। বিশেষ করে বাবলু চরিত্রে এবার জিতেন্দ্র কুমারকে দেখা গেছে।

ছবির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে সেই চিরচেনা মির্জাপুরের সিংহাসন, যা পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে ক্ষমতার চাবিকাঠি। তবে কেবল বন্দুক আর ক্ষমতার লড়াই নয়, চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েনই ছবির আসল শক্তি হয়ে উঠেছে। গুড্ডু ও মুন্নার মধ্যকার দ্বন্দ্ব, ঈর্ষা আর নিজেদের বাবার কাছ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার লড়াইয়ে আলি ফজল ও দিব্যেন্দু শর্মা বরাবরের মতোই সাবলীল। গুড্ডুর বুদ্ধিমত্তার বিপরীতে পঙ্কজ ত্রিপাঠীর কালীন ভাইয়া আগের মতোই স্বল্পভাষী অথচ ভয়ংকর এক উপস্থিতি ধরে রেখেছেন। এছাড়া রবি কিশনের অভিনয়ও নজর কাড়ে, যেখানে তিনি খলনায়কের পাশাপাশি প্রেমের মজার দিকটিও ফুটিয়ে তুলেছেন।

নারীদের মধ্যে বীনা চরিত্রে রসিকা দুগালকে এবার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে দেখা গেছে, যিনি কেবল পার্শ্বচরিত্র নয়, বরং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া একজন নারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে ছবির অন্যান্য নারী চরিত্রগুলোর উপস্থিতি তুলনামূলক কম। রাজস্থানের মনোরম দৃশ্য, মানানসই গান ও র‍্যাপ ছবির দাপুটে পরিবেশকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ ভক্তদের হতাশ করবে না, কারণ এতে সেই পুরোনো রাগ, রক্ত আর দাপট সবই বিদ্যমান। তবে ওটিটির দীর্ঘ পর্বের ধীরগতির গল্প বড় পর্দায় সবসময় কার্যকর হয় না। ছবিতে গল্পের চেয়ে চরিত্রের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক দৃশ্যই অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ মনে হয়েছে। এমনকি শেষের দিকের কিছু অ্যাকশন দৃশ্যও অনেকটা জোর করে জুড়ে দেওয়া বলে মনে হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

বড় পর্দায় মির্জাপুর: পরিচিত আমেজ ফিরলেও গল্পে দীর্ঘসূত্রতার ছাপ

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘মির্জাপুর’ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বন্দুকের গর্জন, ক্ষমতার লড়াই, বিশ্বাসঘাতকতা আর দাপুটে ভয়ের পরিবেশ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তিনটি সফল মৌসুম পার করার পর, এবার সেই পরিচিত জগত উঠে এসেছে বড় পর্দায়। ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ দর্শকদের পুরোনো চরিত্রগুলোর সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু ছবিটির বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটি কোথায় থামতে হবে, তা যেন ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি।

পুনীত কৃষ্ণের চিত্রনাট্যে গুরমিত সিং পরিচালিত এই সিনেমাটি মূল সিরিজের সরাসরি পরবর্তী কোনো গল্প নয়। বরং এটি সিরিজের প্রথম মৌসুমের সমসাময়িক একটি ঘটনাপ্রবাহ, যার ফলে পর্দায় ফিরে এসেছে সুইটি, বাবলু ও মুন্না ভাইয়ার মতো চরিত্রগুলো। বিশেষ করে বাবলু চরিত্রে এবার জিতেন্দ্র কুমারকে দেখা গেছে।

ছবির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে সেই চিরচেনা মির্জাপুরের সিংহাসন, যা পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে ক্ষমতার চাবিকাঠি। তবে কেবল বন্দুক আর ক্ষমতার লড়াই নয়, চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েনই ছবির আসল শক্তি হয়ে উঠেছে। গুড্ডু ও মুন্নার মধ্যকার দ্বন্দ্ব, ঈর্ষা আর নিজেদের বাবার কাছ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার লড়াইয়ে আলি ফজল ও দিব্যেন্দু শর্মা বরাবরের মতোই সাবলীল। গুড্ডুর বুদ্ধিমত্তার বিপরীতে পঙ্কজ ত্রিপাঠীর কালীন ভাইয়া আগের মতোই স্বল্পভাষী অথচ ভয়ংকর এক উপস্থিতি ধরে রেখেছেন। এছাড়া রবি কিশনের অভিনয়ও নজর কাড়ে, যেখানে তিনি খলনায়কের পাশাপাশি প্রেমের মজার দিকটিও ফুটিয়ে তুলেছেন।

নারীদের মধ্যে বীনা চরিত্রে রসিকা দুগালকে এবার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে দেখা গেছে, যিনি কেবল পার্শ্বচরিত্র নয়, বরং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া একজন নারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে ছবির অন্যান্য নারী চরিত্রগুলোর উপস্থিতি তুলনামূলক কম। রাজস্থানের মনোরম দৃশ্য, মানানসই গান ও র‍্যাপ ছবির দাপুটে পরিবেশকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ ভক্তদের হতাশ করবে না, কারণ এতে সেই পুরোনো রাগ, রক্ত আর দাপট সবই বিদ্যমান। তবে ওটিটির দীর্ঘ পর্বের ধীরগতির গল্প বড় পর্দায় সবসময় কার্যকর হয় না। ছবিতে গল্পের চেয়ে চরিত্রের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক দৃশ্যই অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ মনে হয়েছে। এমনকি শেষের দিকের কিছু অ্যাকশন দৃশ্যও অনেকটা জোর করে জুড়ে দেওয়া বলে মনে হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin