শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদ
- আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় একজন যাত্রীর স্বজন আগমনী গেটের পার্শ্ববর্তী নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করছিলেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা তাকে একাধিকবার সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান। তবে ওই ব্যক্তি নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন এবং আগমনী গেটের ভেতরে বারবার উঁকিঝুঁকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে আনসার সদস্যরা পুনরায় সরে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, ঠাট্টা-বিদ্রুপ ও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে অ্যাভসেকের একজন কর্পোরাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় আনসার সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে আগমনী গেটের ভেতরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যান। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, আনসার সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি; বরং দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাভসেক কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবেই তাকে নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পন্ন করেছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির একটি সংক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যার শিরোনাম দেওয়া হয়েছে “আনসার সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়া হলো দর্শনার্থীকে”। আনসার বাহিনীর দাবি, এই ভিডিওটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরে না। বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনায় নিরাপত্তা বিধি ও প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। বাহিনীটির পক্ষ থেকে অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাকে মূল্যায়ন না করে পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।





























