ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নেতৃত্ব সংকটে টালমাটাল পেন্টাগন, পদত্যাগ করলেন আর্মি সেক্রেটারি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিদেশে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে চাপের মুখে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বর্তমানে গুরুতর নেতৃত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস অতিক্রান্ত হওয়ার এই সময়ে পেন্টাগনে শীর্ষ নেতৃত্বের অভাব, গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত ঘাটতি এবং জনসম্মুখে জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে।

এই সংকটের মধ্যে সোমবার বড় ধাক্কাটি আসে আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকলের পদত্যাগের মাধ্যমে। ড্রিসকল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং ইয়েল ল’ স্কুলের সহপাঠী ছিলেন। এক সময় তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবেও বিবেচনা করা হতো। ইউক্রেন ইস্যুতে সংবেদনশীল কূটনীতির দায়িত্ব ট্রাম্পের কাছ থেকে পাওয়া ড্রিসকল গত কয়েক মাস ধরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব ও আধুনিকায়ন নিয়ে হেগসেথের সঙ্গে মতবিরোধে লিপ্ত ছিলেন। এর আগে হেগসেথ সেনাপ্রধান জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। ড্রিসকলের পদত্যাগের ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সিনেট অনুমোদিত বেসামরিক ও সামরিক উভয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকেই বঞ্চিত হলো।

হেগসেথ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিটি সামরিক শাখা থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। এর মধ্যে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল এবং সেনাপ্রধানও রয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের হিসাব অনুযায়ী, হেগসেথের সময়ে দুই ডজনের বেশি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা দায়িত্ব হারিয়েছেন এবং জয়েন্ট চিফসের প্রায় পুরো নেতৃত্বই পুনর্গঠিত হয়েছে। বর্তমানে শুধু মেরিন কর্পস ও স্পেস ফোর্সের প্রধানরা তাদের পদে বহাল রয়েছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চলতি বছর হেগসেথ ব্যক্তিগতভাবে অন্তত ৪৫ কর্মকর্তার পদোন্নতির তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতেও তিনি এক ডজনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্পানিক ও নারী কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে দিয়েছেন। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন যে, পেন্টাগনে বিশৃঙ্খলা চলছে এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি প্রতিরক্ষা দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জন্য অপমানজনক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতৃত্ব সংকটে টালমাটাল পেন্টাগন, পদত্যাগ করলেন আর্মি সেক্রেটারি

আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদেশে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে চাপের মুখে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বর্তমানে গুরুতর নেতৃত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস অতিক্রান্ত হওয়ার এই সময়ে পেন্টাগনে শীর্ষ নেতৃত্বের অভাব, গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত ঘাটতি এবং জনসম্মুখে জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে।

এই সংকটের মধ্যে সোমবার বড় ধাক্কাটি আসে আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকলের পদত্যাগের মাধ্যমে। ড্রিসকল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং ইয়েল ল’ স্কুলের সহপাঠী ছিলেন। এক সময় তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবেও বিবেচনা করা হতো। ইউক্রেন ইস্যুতে সংবেদনশীল কূটনীতির দায়িত্ব ট্রাম্পের কাছ থেকে পাওয়া ড্রিসকল গত কয়েক মাস ধরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব ও আধুনিকায়ন নিয়ে হেগসেথের সঙ্গে মতবিরোধে লিপ্ত ছিলেন। এর আগে হেগসেথ সেনাপ্রধান জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। ড্রিসকলের পদত্যাগের ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সিনেট অনুমোদিত বেসামরিক ও সামরিক উভয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকেই বঞ্চিত হলো।

হেগসেথ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিটি সামরিক শাখা থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। এর মধ্যে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল এবং সেনাপ্রধানও রয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের হিসাব অনুযায়ী, হেগসেথের সময়ে দুই ডজনের বেশি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা দায়িত্ব হারিয়েছেন এবং জয়েন্ট চিফসের প্রায় পুরো নেতৃত্বই পুনর্গঠিত হয়েছে। বর্তমানে শুধু মেরিন কর্পস ও স্পেস ফোর্সের প্রধানরা তাদের পদে বহাল রয়েছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চলতি বছর হেগসেথ ব্যক্তিগতভাবে অন্তত ৪৫ কর্মকর্তার পদোন্নতির তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতেও তিনি এক ডজনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্পানিক ও নারী কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে দিয়েছেন। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন যে, পেন্টাগনে বিশৃঙ্খলা চলছে এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি প্রতিরক্ষা দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জন্য অপমানজনক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin