ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের মাধ্যমে ‘ছায়া সিটি করপোরেশন’ গড়ার ঘোষণা সেলিম উদ্দিনের নাটোর ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ আ.লীগকে ফেরাতে জামায়াত রাজনীতি ঘোলাটে করছে: ডিএসসিসি প্রশাসক নকলায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর জবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে নজরুল-রাজু মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় ৪ বাংলাদেশী আটক নেপালে হিমবাহ ধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি শুটিং শুরুর ঠিক আগে প্রিয়াঙ্কার ‘রিসেট’ সিনেমা ছাড়লেন অরল্যান্ডো ব্লুম ৬ মাস ধরে জনসমক্ষে নেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি, বাড়ছে সংশয় শিশুর যত্নে সবচেয়ে পিছিয়ে বাবারা, অংশ নেন মাত্র ৭ শতাংশ

বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি দেশের সেনাবাহিনী জনগণের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধার পাত্র হলেও তাদের ভূমিকা নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে রাখাই শ্রেয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বেসামরিক প্রশাসনে সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের প্রবণতা বা 'সিভিল ব্যুরোক্রেসির সামরিকীকরণ' এক বড় রোগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব কাঠামো এবং দেশের সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এই বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।

আমেরিকা থেকে প্রকাশিত 'সাউথ এশিয়ান জার্নাল'-এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি গোলাম সোহরাওয়ার্দী গত ২ নভেম্বর ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সরকারি চাকরির সামরিকীকরণ’ শীর্ষক একটি গবেষণাধর্মী কলামে এই ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণের সম্ভাব্য বিপদগুলো তুলে ধরেন। প্রশাসনে সেনাবাহিনীর এই অতিরিক্ত ব্যবহারের নেতিবাচক দিকটি দেশের মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সম্প্রতি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও নৌবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একটি নিবন্ধে দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার শীর্ষ পদগুলো খাঁটি শিক্ষাবিদদের (Academicians) জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত। তিনি যুক্তি দেন যে, কেবল পেশাগত ট্রেনিং দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চালালে সাধারণ মানুষ ভাববে ‘নৌকার মাঝিরা বিশ্ববিদ্যালয় চালাচ্ছে’। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলা হচ্ছে, এটি একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পেশার প্রতি চরম বিদ্বেষ ও অবমাননার শামিল। মার্চেন্ট মেরিনের ক্যাপ্টেন এবং প্রধান প্রকৌশলীরা দীর্ঘ আট থেকে দশ বছরের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করে কোটি কোটি ডলারের জাহাজ ও কার্গোর দায়িত্ব সামলান এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা জোগান দেন।

মার্চেন্ট মেরিনের এই পেশাদারদের অনেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী। যেমন, ওই লেখকের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিজেও চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির পাশাপাশি মালমো মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেছেন। অথচ মেরিটাইম নাম থাকা সত্ত্বেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত নৌবাহিনীর বাইরে থেকে কোনো উপাচার্য বা উপ-উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার নজির নেই, যা একে কার্যত একটি 'নেভাল ইউনিভার্সিটি'তে পরিণত করেছে। এমনকি সমুদ্রবন্দর ও ডিজি অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তিকে অনেকেই বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরলেও বিষয়টি ছিল মূলত Arbitration বা সালিশি প্রক্রিয়া, যেখানে উভয় পক্ষই কিছু পেয়েছে এবং কিছু ছেড়েছে। পাশাপাশি, সমুদ্রসীমা জয় নিয়ে বিগত সরকারের প্রচারণা ছিল এক ধরনের ভাঁওতাবাজি। ২০১৪ সালের ১১ জুলাই এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা হান্নান শাহ বলেছিলেন, সমুদ্রের জলসীমা নিয়ে নাটক করে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপসহ ৬ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা হাতছাড়া করা হয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাবি ছিল ন্যায্যতার (Equitable) ভিত্তিতে বণ্টন, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের দাবি ছিল সমদূরত্বের বণ্টন (Equidistantly delimitation)। কিন্তু দেখা গেছে, আমাদের চেয়ে প্রতিপক্ষের দাবিই (Equidistantly delimitation) বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, যা আমাদের কারিগরি সক্ষমতা বা টেকনিক্যাল ক্যাপাবিলিটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এর দায় তথাকথিত কিংবদন্তি রিয়ার অ্যাডমিরালের ওপর বর্তায়।

এই নিষ্পত্তির ফলে একটি জটিল 'গ্রে এরিয়া' (Grey Area) তৈরি হয়েছে। এর ফলে ২০০ নটিক্যাল মাইলের সমুদ্রতলের অধিকার বাংলাদেশের হলেও তার ওপরের জলভাগের (water) অধিকার প্রতিবেশী দেশগুলোর ইইজেডের (EEZ) অধীনে চলে গেছে। আজ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হয়তো বড় কোনো সমস্যা হবে না, কিন্তু ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যখন সত্যিকার অর্থে 'ব্লু ওয়াটার নেভি' (Blue Water Navy) গড়ে তুলতে চাইবে অথবা দূরবর্তী কন্টিনেন্টাল শেলফে তেল, গ্যাস কিংবা অন্য কোনো মহামূল্যবান সম্পদের সন্ধান পাওয়া যাবে, তখন এই বাস্তবতা আমাদের বিরুদ্ধে জিও-পলিটিক্যাল অস্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়তে পারে! কারণ আমাদের ইইজেড থেকে কন্টিনেন্টাল শেলফের দিকে যাওয়ার মুখেই পশ্চিমে ভারত ও পূর্বে মিয়ানমারের ইইজেড-সংক্রান্ত Grey Area রয়েছে। তাই এই সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তিকে কেবল আবেগ দিয়ে 'ঐতিহাসিক বিজয়' হিসেবে না দেখে এর দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রভাব নিয়ে নির্মোহ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

একটি দেশের সেনাবাহিনী জনগণের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধার পাত্র হলেও তাদের ভূমিকা নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে রাখাই শ্রেয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বেসামরিক প্রশাসনে সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের প্রবণতা বা 'সিভিল ব্যুরোক্রেসির সামরিকীকরণ' এক বড় রোগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব কাঠামো এবং দেশের সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এই বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।

আমেরিকা থেকে প্রকাশিত 'সাউথ এশিয়ান জার্নাল'-এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি গোলাম সোহরাওয়ার্দী গত ২ নভেম্বর ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সরকারি চাকরির সামরিকীকরণ’ শীর্ষক একটি গবেষণাধর্মী কলামে এই ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণের সম্ভাব্য বিপদগুলো তুলে ধরেন। প্রশাসনে সেনাবাহিনীর এই অতিরিক্ত ব্যবহারের নেতিবাচক দিকটি দেশের মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সম্প্রতি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও নৌবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একটি নিবন্ধে দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার শীর্ষ পদগুলো খাঁটি শিক্ষাবিদদের (Academicians) জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত। তিনি যুক্তি দেন যে, কেবল পেশাগত ট্রেনিং দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চালালে সাধারণ মানুষ ভাববে ‘নৌকার মাঝিরা বিশ্ববিদ্যালয় চালাচ্ছে’। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলা হচ্ছে, এটি একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পেশার প্রতি চরম বিদ্বেষ ও অবমাননার শামিল। মার্চেন্ট মেরিনের ক্যাপ্টেন এবং প্রধান প্রকৌশলীরা দীর্ঘ আট থেকে দশ বছরের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করে কোটি কোটি ডলারের জাহাজ ও কার্গোর দায়িত্ব সামলান এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা জোগান দেন।

মার্চেন্ট মেরিনের এই পেশাদারদের অনেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী। যেমন, ওই লেখকের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিজেও চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির পাশাপাশি মালমো মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেছেন। অথচ মেরিটাইম নাম থাকা সত্ত্বেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত নৌবাহিনীর বাইরে থেকে কোনো উপাচার্য বা উপ-উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার নজির নেই, যা একে কার্যত একটি 'নেভাল ইউনিভার্সিটি'তে পরিণত করেছে। এমনকি সমুদ্রবন্দর ও ডিজি অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তিকে অনেকেই বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরলেও বিষয়টি ছিল মূলত Arbitration বা সালিশি প্রক্রিয়া, যেখানে উভয় পক্ষই কিছু পেয়েছে এবং কিছু ছেড়েছে। পাশাপাশি, সমুদ্রসীমা জয় নিয়ে বিগত সরকারের প্রচারণা ছিল এক ধরনের ভাঁওতাবাজি। ২০১৪ সালের ১১ জুলাই এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা হান্নান শাহ বলেছিলেন, সমুদ্রের জলসীমা নিয়ে নাটক করে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপসহ ৬ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা হাতছাড়া করা হয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাবি ছিল ন্যায্যতার (Equitable) ভিত্তিতে বণ্টন, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের দাবি ছিল সমদূরত্বের বণ্টন (Equidistantly delimitation)। কিন্তু দেখা গেছে, আমাদের চেয়ে প্রতিপক্ষের দাবিই (Equidistantly delimitation) বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, যা আমাদের কারিগরি সক্ষমতা বা টেকনিক্যাল ক্যাপাবিলিটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এর দায় তথাকথিত কিংবদন্তি রিয়ার অ্যাডমিরালের ওপর বর্তায়।

এই নিষ্পত্তির ফলে একটি জটিল 'গ্রে এরিয়া' (Grey Area) তৈরি হয়েছে। এর ফলে ২০০ নটিক্যাল মাইলের সমুদ্রতলের অধিকার বাংলাদেশের হলেও তার ওপরের জলভাগের (water) অধিকার প্রতিবেশী দেশগুলোর ইইজেডের (EEZ) অধীনে চলে গেছে। আজ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হয়তো বড় কোনো সমস্যা হবে না, কিন্তু ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যখন সত্যিকার অর্থে 'ব্লু ওয়াটার নেভি' (Blue Water Navy) গড়ে তুলতে চাইবে অথবা দূরবর্তী কন্টিনেন্টাল শেলফে তেল, গ্যাস কিংবা অন্য কোনো মহামূল্যবান সম্পদের সন্ধান পাওয়া যাবে, তখন এই বাস্তবতা আমাদের বিরুদ্ধে জিও-পলিটিক্যাল অস্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়তে পারে! কারণ আমাদের ইইজেড থেকে কন্টিনেন্টাল শেলফের দিকে যাওয়ার মুখেই পশ্চিমে ভারত ও পূর্বে মিয়ানমারের ইইজেড-সংক্রান্ত Grey Area রয়েছে। তাই এই সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তিকে কেবল আবেগ দিয়ে 'ঐতিহাসিক বিজয়' হিসেবে না দেখে এর দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রভাব নিয়ে নির্মোহ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh