ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দ্রুত চার্জশিট ও সুবিচারের আশ্বাস আরপিএমপির কেরানীগঞ্জে সাত দিন ধরে গ্যাস নেই, অচল কলকারখানা সেন্ট গ্রেগরী কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর, আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর সিংগাইরে মদ্যপ অবস্থায় মারামারি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫ নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও পানিতে ডুবে ৩ জনের মৃত্যু

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে নতুন বন্যার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হিমালয়ের পাদদেশে সংঘটিত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল এবং প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫৯ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত আছেন।

প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বদলে নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে অঞ্চলটি। বিশেষজ্ঞরা এখন সেখানে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই সতর্কবার্তা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বিশাল বাধা জমে আছে। যদি এই বাধা কোনো কারণে ভেঙে যায়, তবে তা আবারও বড় ধরনের বন্যার জন্ম দিতে পারে। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত একত্রিত হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটিই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

হিমালয়ের পাদদেশে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। ওই অঞ্চলে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে নতুন বন্যার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

হিমালয়ের পাদদেশে সংঘটিত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল এবং প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫৯ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত আছেন।

প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বদলে নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে অঞ্চলটি। বিশেষজ্ঞরা এখন সেখানে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই সতর্কবার্তা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বিশাল বাধা জমে আছে। যদি এই বাধা কোনো কারণে ভেঙে যায়, তবে তা আবারও বড় ধরনের বন্যার জন্ম দিতে পারে। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত একত্রিত হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটিই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

হিমালয়ের পাদদেশে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। ওই অঞ্চলে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh