
হিমালয়ের পাদদেশে সংঘটিত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল এবং প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫৯ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত আছেন।
প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বদলে নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে অঞ্চলটি। বিশেষজ্ঞরা এখন সেখানে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই সতর্কবার্তা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বিশাল বাধা জমে আছে। যদি এই বাধা কোনো কারণে ভেঙে যায়, তবে তা আবারও বড় ধরনের বন্যার জন্ম দিতে পারে। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত একত্রিত হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটিই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
হিমালয়ের পাদদেশে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। ওই অঞ্চলে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২