ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে নতুন বন্যার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বড় পর্দায় ফিরছেন ‘স্কুইড গেম’ নির্মাতা, নতুন সিনেমার নাম ‘কে.ও. ক্লাব’ বিএনপিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন সারজিস আলম উদ্যোক্তাদের দ্রুত ভ্যাট নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান এনবিআরের ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উয়েফা নেপালের বন্যায় নিশ্চিহ্ন গ্রাম, স্বজন হারালেন সাংবাদিক জিপিএ-৫ চূড়ান্ত অর্জন নয়, সামনে কঠিন পথ: ডাকসু জিএস ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন যুক্তরাজ্যের ৩ বিমানবন্দরে সাইবার হামলা, হ্যাকারদের হাতে ৮৭ লাখ গ্রাহকের তথ্য

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা বেরিয়ে যান।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেন। এরপরই বিরোধী দলীয় সদস্যরা নির্ধারিত বিল দুটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাত ৮টা ৬ মিনিটে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিরোধী দলীয় নেতারা গণমাধ্যমের সামনে তাদের অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ এপ্রিলের মধ্যে এগুলোর অনুমোদন বা অননুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপিত না হওয়ায় কার্যকারিতা হারায় এবং সাতটি রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ যেসব অধ্যাদেশ বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো নতুন করে বিল আকারে আনার কথা জানিয়েছিল সরকার।

অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। তবে এই খসড়াগুলোর কয়েকটি বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

আপডেট সময় : ১০:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা বেরিয়ে যান।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেন। এরপরই বিরোধী দলীয় সদস্যরা নির্ধারিত বিল দুটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাত ৮টা ৬ মিনিটে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিরোধী দলীয় নেতারা গণমাধ্যমের সামনে তাদের অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ এপ্রিলের মধ্যে এগুলোর অনুমোদন বা অননুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপিত না হওয়ায় কার্যকারিতা হারায় এবং সাতটি রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ যেসব অধ্যাদেশ বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো নতুন করে বিল আকারে আনার কথা জানিয়েছিল সরকার।

অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। তবে এই খসড়াগুলোর কয়েকটি বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin