ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক ফ্রান্সে মূল্যস্ফীতি ৩.১%, এক বছরে জ্বালানির দাম বেড়েছে ২১.৩ শতাংশ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে নতুন সমরাস্ত্র কারখানা করবে সেনাবাহিনী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুরের পর এবার চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে নতুন একটি সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন জলিল টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেডের প্রায় ৫৫ একর জমি সেনাবাহিনীর অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জমি হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, বিটিএমসির চেয়ারম্যান এবং সেনাবাহিনীর পক্ষে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন সার্কেলের মিলিটারি এস্টেট অফিসার জমি হস্তান্তর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার ৫৪ দশমিক ৯৯ একর আয়তনের এই জলিল টেক্সটাইল মিলটি প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়, যার নীতিগত অনুমোদন গত ১ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি থেকে পাওয়া গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত জলিল টেক্সটাইল মিলটি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাতীয়করণ করে বিটিএমসির অধীনে নেওয়া হয়েছিল। তবে অব্যবস্থাপনা ও লোকসানের কারণে ২০০৪ সালে মিলটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

আইএসপিআর-এর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের একমাত্র অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের ফলে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এটি বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস করার পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। এছাড়া, সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনে এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে গাজীপুরের চতর এলাকায় তিন শতাধিক একর জমিতে দেশের একমাত্র সামরিক কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে নতুন সমরাস্ত্র কারখানা করবে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের পর এবার চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে নতুন একটি সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন জলিল টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেডের প্রায় ৫৫ একর জমি সেনাবাহিনীর অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জমি হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, বিটিএমসির চেয়ারম্যান এবং সেনাবাহিনীর পক্ষে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন সার্কেলের মিলিটারি এস্টেট অফিসার জমি হস্তান্তর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার ৫৪ দশমিক ৯৯ একর আয়তনের এই জলিল টেক্সটাইল মিলটি প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়, যার নীতিগত অনুমোদন গত ১ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি থেকে পাওয়া গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত জলিল টেক্সটাইল মিলটি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাতীয়করণ করে বিটিএমসির অধীনে নেওয়া হয়েছিল। তবে অব্যবস্থাপনা ও লোকসানের কারণে ২০০৪ সালে মিলটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

আইএসপিআর-এর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের একমাত্র অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের ফলে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এটি বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস করার পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। এছাড়া, সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনে এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে গাজীপুরের চতর এলাকায় তিন শতাধিক একর জমিতে দেশের একমাত্র সামরিক কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh