ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নুসরাত হত্যায় নির্বিচারে ফাঁসি: বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিল হাইকোর্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সব আসামিকে নির্বিচারে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের ঘটনায় ফেনীর তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, বিচারিক আদালত যেভাবে নির্বিচারে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন, তাতে প্রতিটি পরিবারের ওপর এক বিপর্যয়কর বা ডিভাস্টেটিং ইফেক্ট নেমে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এই মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীম।

মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন উম্মে সুলতানা পপি, মোহাম্মদ নুরুদ্দিন, শাহাদাত হোসেন জাবেদ ও ইফতেখার হোসেন রানা। এছাড়া আদালত মোহাম্মদ শামীম, রুহুল আমিন, আফসার উদ্দিন, মাকসুদ কাউন্সিলর, হাফেজ আব্দুল কাদের, আব্দুর রহিম শরীফ, ইমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল এবং কামরুন নাহার মনিসহ মোট ১০ আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

আসামিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমিন, অ্যাডভোকেট আদনান ইয়াজদানী ও ব্যারিস্টার আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নুসরাত হত্যায় নির্বিচারে ফাঁসি: বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিল হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সব আসামিকে নির্বিচারে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের ঘটনায় ফেনীর তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, বিচারিক আদালত যেভাবে নির্বিচারে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন, তাতে প্রতিটি পরিবারের ওপর এক বিপর্যয়কর বা ডিভাস্টেটিং ইফেক্ট নেমে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এই মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীম।

মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন উম্মে সুলতানা পপি, মোহাম্মদ নুরুদ্দিন, শাহাদাত হোসেন জাবেদ ও ইফতেখার হোসেন রানা। এছাড়া আদালত মোহাম্মদ শামীম, রুহুল আমিন, আফসার উদ্দিন, মাকসুদ কাউন্সিলর, হাফেজ আব্দুল কাদের, আব্দুর রহিম শরীফ, ইমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল এবং কামরুন নাহার মনিসহ মোট ১০ আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

আসামিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমিন, অ্যাডভোকেট আদনান ইয়াজদানী ও ব্যারিস্টার আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh