ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক এমপি কামারুল তিথির বিশেষ বিন্যাসে দুই দিনে পালিত হচ্ছে মহাসপ্তমী উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার বিদেশি আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকছেন ৩৬৩০ আনসার-ভিডিপি সদস্য ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে ৪৯০ জন গ্রেপ্তার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে সরকার এআইয়ের যুগে তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর নতুন কৌশল ও দিকনির্দেশনা

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বাড়াতে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সোমবার সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে আয়োজিত এই বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চলমান। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ফলে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাণিজ্য সম্পর্ক সহজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে দীর্ঘদিনের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে।

বাণিজ্য আলোচনায় গুরুত্ব পাওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করা, স্থলবন্দরগুলোকে তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাবও বৈঠকে উঠে এসেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে এবং বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রত্যাশা করে। তিনি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন। হাইকমিশনার আরও বলেন, সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে এগিয়ে যেতে হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাই সম্পর্ক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সফল। এই খাতে ভারত জিপার, বোতাম ও যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগী হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে নিজের গর্ববোধের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক খাত আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে পারবে এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতার মাধ্যমে আগামী দিনে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বাড়াতে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সোমবার সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে আয়োজিত এই বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চলমান। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ফলে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাণিজ্য সম্পর্ক সহজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে দীর্ঘদিনের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে।

বাণিজ্য আলোচনায় গুরুত্ব পাওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করা, স্থলবন্দরগুলোকে তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাবও বৈঠকে উঠে এসেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে এবং বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রত্যাশা করে। তিনি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন। হাইকমিশনার আরও বলেন, সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে এগিয়ে যেতে হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাই সম্পর্ক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সফল। এই খাতে ভারত জিপার, বোতাম ও যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগী হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে নিজের গর্ববোধের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক খাত আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে পারবে এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতার মাধ্যমে আগামী দিনে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh