ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের মাধ্যমে ‘ছায়া সিটি করপোরেশন’ গড়ার ঘোষণা সেলিম উদ্দিনের নাটোর ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ আ.লীগকে ফেরাতে জামায়াত রাজনীতি ঘোলাটে করছে: ডিএসসিসি প্রশাসক নকলায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর জবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে নজরুল-রাজু মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় ৪ বাংলাদেশী আটক নেপালে হিমবাহ ধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি শুটিং শুরুর ঠিক আগে প্রিয়াঙ্কার ‘রিসেট’ সিনেমা ছাড়লেন অরল্যান্ডো ব্লুম ৬ মাস ধরে জনসমক্ষে নেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি, বাড়ছে সংশয় শিশুর যত্নে সবচেয়ে পিছিয়ে বাবারা, অংশ নেন মাত্র ৭ শতাংশ

রাওয়ালপিন্ডিতে ছয় মাসের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিল পাকিস্তান সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর তিনটি কোম্পানি মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার। আগামী ছয় মাসের জন্য এই সেনা মোতায়েন বলবৎ থাকবে। পাক স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক আদেশে জানানো হয়েছে, ‘সংবেদনশীল নিরাপত্তা দায়িত্ব’ পালনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

২১ আগস্ট জারি করা এই আদেশটি পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের অধীনে কার্যকর করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা যায়। জানা গেছে, পাঞ্জাব সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের গত ২২ জুলাইয়ের একটি চিঠির সুপারিশের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আদেশটি জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রাওয়ালপিন্ডি জেলা প্রশাসনকে যেকোনো ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় এবং অপ্রত্যাশিত যেকোনো সংকটে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেনারা সহায়তা করবে। এই আদেশের অনুলিপি কেন্দ্রীয় ও পাঞ্জাব সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি, চ্যালেঞ্জ বা ঘটনার কথা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এই রাওয়ালপিন্ডিতেই অবস্থিত, যা দেশটির সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। শহরটি পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হওয়ায় এই এলাকায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন এবং এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাদের এই মোতায়েন বেসামরিক প্রশাসনকে নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করবে। তবে সরকারি বিজ্ঞপ্তি কিংবা গণমাধ্যমের প্রতিবেদন—কোথাও তিনটি সেনা কোম্পানির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বা কার্যপরিধি স্পষ্ট করা হয়নি। এর ফলে আগামী ছয় মাস রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক ভূমিকা নিশ্চিত হলেও, এর পেছনের প্রকৃত নিরাপত্তা মূল্যায়ন বা হুমকির বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাওয়ালপিন্ডিতে ছয় মাসের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিল পাকিস্তান সরকার

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর তিনটি কোম্পানি মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার। আগামী ছয় মাসের জন্য এই সেনা মোতায়েন বলবৎ থাকবে। পাক স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক আদেশে জানানো হয়েছে, ‘সংবেদনশীল নিরাপত্তা দায়িত্ব’ পালনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

২১ আগস্ট জারি করা এই আদেশটি পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের অধীনে কার্যকর করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা যায়। জানা গেছে, পাঞ্জাব সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের গত ২২ জুলাইয়ের একটি চিঠির সুপারিশের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আদেশটি জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রাওয়ালপিন্ডি জেলা প্রশাসনকে যেকোনো ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় এবং অপ্রত্যাশিত যেকোনো সংকটে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেনারা সহায়তা করবে। এই আদেশের অনুলিপি কেন্দ্রীয় ও পাঞ্জাব সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি, চ্যালেঞ্জ বা ঘটনার কথা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এই রাওয়ালপিন্ডিতেই অবস্থিত, যা দেশটির সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। শহরটি পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হওয়ায় এই এলাকায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন এবং এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাদের এই মোতায়েন বেসামরিক প্রশাসনকে নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করবে। তবে সরকারি বিজ্ঞপ্তি কিংবা গণমাধ্যমের প্রতিবেদন—কোথাও তিনটি সেনা কোম্পানির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বা কার্যপরিধি স্পষ্ট করা হয়নি। এর ফলে আগামী ছয় মাস রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক ভূমিকা নিশ্চিত হলেও, এর পেছনের প্রকৃত নিরাপত্তা মূল্যায়ন বা হুমকির বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin