ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে: তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী দিনের ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণদের কেবল চাকরিপ্রার্থী হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে, তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। শনিবার যশোরে অবস্থিত সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল প্রশিক্ষণ প্রদান নয়, বরং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতা তৈরি করা। একই সঙ্গে আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের কেন্দ্র হিসেবে না রেখে উদ্ভাবন, স্টার্টআপ এবং বিনিয়োগের কার্যকর হাব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পরিবর্তে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদাভিত্তিক, দক্ষতাভিত্তিক এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একজন প্রশিক্ষণার্থী কত ঘণ্টা প্রশিক্ষণ নিলেন বা কতটি সনদ পেলেন, এটিই সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি চাকরি পেলেন কি না, ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত হলেন কি না, উদ্যোক্তা হলেন কি না এবং অর্জিত দক্ষতা বাস্তবে কাজে লাগাতে পারলেন কি না—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী ‘আফটার কেয়ার’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোতে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, কারিগরি সহায়তা, ব্যবসা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ইনকিউবেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ধারণা যাচাই, পণ্য ও সেবা উন্নয়ন, বাজারে প্রবেশ, ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য অনুপম বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে: তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

আগামী দিনের ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণদের কেবল চাকরিপ্রার্থী হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে, তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। শনিবার যশোরে অবস্থিত সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল প্রশিক্ষণ প্রদান নয়, বরং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতা তৈরি করা। একই সঙ্গে আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের কেন্দ্র হিসেবে না রেখে উদ্ভাবন, স্টার্টআপ এবং বিনিয়োগের কার্যকর হাব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পরিবর্তে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদাভিত্তিক, দক্ষতাভিত্তিক এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একজন প্রশিক্ষণার্থী কত ঘণ্টা প্রশিক্ষণ নিলেন বা কতটি সনদ পেলেন, এটিই সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি চাকরি পেলেন কি না, ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত হলেন কি না, উদ্যোক্তা হলেন কি না এবং অর্জিত দক্ষতা বাস্তবে কাজে লাগাতে পারলেন কি না—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী ‘আফটার কেয়ার’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোতে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, কারিগরি সহায়তা, ব্যবসা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ইনকিউবেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ধারণা যাচাই, পণ্য ও সেবা উন্নয়ন, বাজারে প্রবেশ, ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য অনুপম বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh