ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর

রাজধানীর বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে অস্বস্তি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগি, মাছ ও ডিমের দাম সাধারণ ক্রেতাদের সংসার খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও বেশ চড়া, প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হলেও বড় বাজারগুলোতে সাদা ডিম ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই, আগের উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি কই, শোল ও বাইন মাছের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার ঘরে। ইলিশ মাছের ক্ষেত্রে ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রায়ের বাজারের ক্রেতা আবু দাউদ বলেন, বাজারে এসে এখন মাছ কিনতেই অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যায় না। বিক্রেতা কফিল উদ্দিন জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, তবে বাজারে একদিন ২০-৩০ টাকা কমলে পরদিন আবার বাড়ছে।

ক্রেতাদের মতে, আয় বাড়েনি কিন্তু প্রতিদিন বাজার খরচ বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন তা কয়েক দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীর বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে অস্বস্তি

আপডেট সময় : ১১:১৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগি, মাছ ও ডিমের দাম সাধারণ ক্রেতাদের সংসার খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও বেশ চড়া, প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হলেও বড় বাজারগুলোতে সাদা ডিম ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই, আগের উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি কই, শোল ও বাইন মাছের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার ঘরে। ইলিশ মাছের ক্ষেত্রে ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রায়ের বাজারের ক্রেতা আবু দাউদ বলেন, বাজারে এসে এখন মাছ কিনতেই অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যায় না। বিক্রেতা কফিল উদ্দিন জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, তবে বাজারে একদিন ২০-৩০ টাকা কমলে পরদিন আবার বাড়ছে।

ক্রেতাদের মতে, আয় বাড়েনি কিন্তু প্রতিদিন বাজার খরচ বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন তা কয়েক দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh