ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেপ্টেম্বরে নয়, জানুয়ারিতে হতে পারে ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন নরওয়ের রাজা হারাল্ড নেপালের ভয়াবহ বন্যা: বাংলাদেশের কাপ্তাই বাঁধের জন্য কি সতর্কবার্তা? গোয়াইনঘাটে ২৬ কোটির মহাসড়ক নির্মাণে বাধা ৯০ গাছ মধুমতি নদীর ভাঙনে দিশেহারা বোয়ালমারীর লংকারচর নীচুপাড়ার বাসিন্দারা শৈলকুপা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পুরস্কারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নেপালে হিমবাহ ধসে মৃতের সংখ্যা ৪৭২, নতুন বন্যার ঝুঁকিতে এলাকা কারওয়ান বাজারে শুরু হলো প্রথম আলো বন্ধুসভার ‘লেখক বন্ধু উৎসব’ সিলেটে হাম ও উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নেপাল সীমান্তে হিমালয় কন্যার বুকে প্রলয়ংকরী জলবোমার আঘাত

নানা অভিযোগে হাতিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর হাতিয়ার ম্যাকপার্শ্বন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন অর রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলা, সহকর্মীদের হুমকি প্রদান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাকে এই গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে ‘চাকরি হইতে বরখাস্তকরণ’ আদেশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইশরাত নাসিমা হাবীব এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেন।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মামুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো, বিদ্যালয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি এবং নৈতিকতাবিবর্জিত আচরণের ছবি মুঠোফোনে সংরক্ষণ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ১৬ জুন প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

তদন্তের পর অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩০ জুলাইয়ের আদেশে তাকে ৩ আগস্ট ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি শুনানিতে উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের বিষয়গুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

নানা অভিযোগে হাতিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়ার ম্যাকপার্শ্বন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন অর রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলা, সহকর্মীদের হুমকি প্রদান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাকে এই গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে ‘চাকরি হইতে বরখাস্তকরণ’ আদেশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইশরাত নাসিমা হাবীব এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেন।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মামুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো, বিদ্যালয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি এবং নৈতিকতাবিবর্জিত আচরণের ছবি মুঠোফোনে সংরক্ষণ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ১৬ জুন প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

তদন্তের পর অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩০ জুলাইয়ের আদেশে তাকে ৩ আগস্ট ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি শুনানিতে উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও অনিয়মের বিষয়গুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin