ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য সরকারি চাকরিজীবীদের অক্টোবরের বেতনের সঙ্গেই মিলবে ৩ মাসের বকেয়া নৌপথে যুক্তরাজ্যে আসা প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার: শাবানা মাহমুদ রাড্ডায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত: গর্ভবতী মায়েদের পাশে ডা. তাইফ ব্যবসা-বাণিজ্যে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রেসিডেন্টের সাংবাদিকদের দাবিতে রাবি হল প্রাধ্যক্ষকে অব্যাহতি, ৩ দিনে তদন্তের নির্দেশ চবি ক্যাম্পাসে ইউপিএল বই উৎসবে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

সোমেশ্বরীর ভাঙন ঝুঁকিতে রাণীখং স্কুল, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় পাহাড়ি খরস্রোতা সোমেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙন ও অতিবৃষ্টির কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির সীমানাপ্রাচীর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিষয়টি জানার পরপরই তিনি পাউবো কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমেশ্বরী নদীর পানির প্রবল তোড় ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিটার অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সীমানাপ্রাচীরটি ভেঙে পড়তে আর মাত্র এক থেকে দেড় মিটার মাটি সরে যাওয়া বাকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আশপাশের কয়েক শ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার একমাত্র ভরসা এই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের নির্দেশনা পাওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির পরিচালক অঞ্জন কুমার চিছাম, রাণীখং ধর্মপল্লির পালপুরোহিত ফাদার অশেষ দিও, রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর পলিনুস রিছিল, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। ভাঙন রোধে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাইলিং করা হবে এবং জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে। এছাড়া রাণীখং উচ্চবিদ্যালয় ও রাণীখং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সোমেশ্বরী নদীর স্থায়ী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিজয়পুর জিরো পয়েন্ট এলাকার ভাঙনপ্রবণ অংশগুলোও পরিদর্শন করা হয়েছে এবং সেসব স্থানেও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সোমেশ্বরীর ভাঙন ঝুঁকিতে রাণীখং স্কুল, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় পাহাড়ি খরস্রোতা সোমেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙন ও অতিবৃষ্টির কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির সীমানাপ্রাচীর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিষয়টি জানার পরপরই তিনি পাউবো কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমেশ্বরী নদীর পানির প্রবল তোড় ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিটার অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সীমানাপ্রাচীরটি ভেঙে পড়তে আর মাত্র এক থেকে দেড় মিটার মাটি সরে যাওয়া বাকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আশপাশের কয়েক শ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার একমাত্র ভরসা এই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের নির্দেশনা পাওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির পরিচালক অঞ্জন কুমার চিছাম, রাণীখং ধর্মপল্লির পালপুরোহিত ফাদার অশেষ দিও, রাণীখং উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর পলিনুস রিছিল, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। ভাঙন রোধে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাইলিং করা হবে এবং জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে। এছাড়া রাণীখং উচ্চবিদ্যালয় ও রাণীখং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সোমেশ্বরী নদীর স্থায়ী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিজয়পুর জিরো পয়েন্ট এলাকার ভাঙনপ্রবণ অংশগুলোও পরিদর্শন করা হয়েছে এবং সেসব স্থানেও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh