ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের তরুণদের কণ্ঠে আবারও সেই বিতর্কিত ‘আজাদি’ স্লোগান সদরঘাটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী নিহত ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ও মুজিব হত্যাকাণ্ড: মার্কিন নথির বিশ্লেষণ ১২৮ টাকায় বিক্রি হলো ভারতের ফুটবল ক্লাব জামশেদপুর এফসি হাজীগঞ্জে আব্দুল মান্নানের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবি: ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত কামরাঙ্গীরচরে স্কুল মাঠের পাশে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উত্তরায় সোয়া কোটি টাকা লুটের ঘটনায় ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জেনে নিন পুরো সূচি আখাউড়ায় মেয়রপ্রার্থী চূড়ান্ত করতে ভোটের আগেই ভোট উৎসব

বিচার না হওয়া পর্যন্ত সমঝোতায় যাবে না শিবির-ছাত্রশক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্রফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় যেতে রাজি হয়নি ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠক শেষে সংগঠন দুটির নেতারা তাদের এই অনড় অবস্থানের কথা জানান।

গত ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানোকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্রফ্রন্ট ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতেই শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন সমঝোতা বৈঠকের আহ্বান জানান। বৈঠকে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ছাড়াও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের একপর্যায়ে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় এসে কোলাকুলি করার অনুরোধ করা হলেও ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতারা তাতে আপত্তি জানান। তারা স্পষ্ট করে দেন, হামলার ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। ফলে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির সভাপতি মো. শাহিন মিয়া বলেন, ৪ আগস্টের হামলার বিচার হওয়ার পূর্বে কোনো ধরনের সমঝোতায় থাকবে না ছাত্রশক্তি। যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের আগে বিচারের আওতায় আনতে হবে। জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, হামলার বিচার নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। তিনি আরও জানান, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর এবং একটি কার্যকর ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ বা আচরণবিধি প্রণয়নের পরই সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতের জন্য জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জকসুর প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ১৫ দফা সংবলিত একটি সর্বজনীন আচরণবিধি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন জানিয়েছেন, সবার মতামত নিয়ে একটি সমন্বিত আচরণবিধি তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচার না হওয়া পর্যন্ত সমঝোতায় যাবে না শিবির-ছাত্রশক্তি

আপডেট সময় : ০৩:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্রফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় যেতে রাজি হয়নি ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠক শেষে সংগঠন দুটির নেতারা তাদের এই অনড় অবস্থানের কথা জানান।

গত ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানোকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্রফ্রন্ট ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতেই শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন সমঝোতা বৈঠকের আহ্বান জানান। বৈঠকে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ছাড়াও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের একপর্যায়ে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় এসে কোলাকুলি করার অনুরোধ করা হলেও ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতারা তাতে আপত্তি জানান। তারা স্পষ্ট করে দেন, হামলার ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। ফলে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির সভাপতি মো. শাহিন মিয়া বলেন, ৪ আগস্টের হামলার বিচার হওয়ার পূর্বে কোনো ধরনের সমঝোতায় থাকবে না ছাত্রশক্তি। যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের আগে বিচারের আওতায় আনতে হবে। জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, হামলার বিচার নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। তিনি আরও জানান, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর এবং একটি কার্যকর ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ বা আচরণবিধি প্রণয়নের পরই সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতের জন্য জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জকসুর প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ১৫ দফা সংবলিত একটি সর্বজনীন আচরণবিধি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন জানিয়েছেন, সবার মতামত নিয়ে একটি সমন্বিত আচরণবিধি তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy