ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

২০২৮ সালের মার্কিন নির্বাচনে লড়তে পারেন ওকাসিও-কর্টেজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের আগামী ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে আগাম জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। আর এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ (এওসি)। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান পোক্ত করা এই প্রগতিশীল নেত্রী শেষ পর্যন্ত হোয়াইট হাউসের দৌড়ে শামিল হবেন কি না, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। তবে তার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সেই সম্ভাবনাকে দিন দিন আরও জোরালো করে তুলছে।

সম্প্রতি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রকফেলার মেমোরিয়াল চ্যাপেলে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওকাসিও-কর্টেজ নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট পদ বা আসন দখল করা তার মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং তার আসল আকাঙ্ক্ষা হলো ‘দেশকে পরিবর্তন করা’। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত শ্রোতারা করতালিতে ফেটে পড়েন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ২০২৮ সালের নির্বাচনে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ওকাসিও-কর্টেজের জন্য বেশ অনুকূল হতে পারে। ডেমোক্রেটিক পার্টির পুরোনো ও প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর ভোটারদের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ ও হতাশ। দলে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা ওকাসিও-কর্টেজের মতো তরুণ নেত্রীর জন্য বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের মতো প্রগতিশীল এজেন্ডাগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকজন প্রগতিশীল প্রার্থীর নির্বাচনি সাফল্য তার এই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে。

জনপ্রিয়তার দৌড়েও ওকাসিও-কর্টেজ বেশ এগিয়ে রয়েছেন। গত জুলাই মাসে ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের পরিচালিত এক জরিপে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় তাকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে; কেবল ইনস্টাগ্রামেই তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। তার সমর্থকদের তালিকায় যেমন রয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ (ডিএসএ)-এর মতো প্রগতিশীল সংগঠন, তেমনি ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির মতো শীর্ষস্থানীয় নেত্রীর সমর্থনও রয়েছে তার প্রতি।

ডিএসএ-এর কো-চেয়ার আশিক সিদ্দিকি মনে করেন, ওকাসিও-কর্টেজ যদি শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা তাদের সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। তার মতে, ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার জন্য ওকাসিও-কর্টেজের মতো একজন শক্তিশালী কণ্ঠস্বরের থাকা অত্যন্ত জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৮ সালের মার্কিন নির্বাচনে লড়তে পারেন ওকাসিও-কর্টেজ

আপডেট সময় : ১২:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আগামী ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে আগাম জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। আর এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ (এওসি)। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান পোক্ত করা এই প্রগতিশীল নেত্রী শেষ পর্যন্ত হোয়াইট হাউসের দৌড়ে শামিল হবেন কি না, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। তবে তার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সেই সম্ভাবনাকে দিন দিন আরও জোরালো করে তুলছে।

সম্প্রতি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রকফেলার মেমোরিয়াল চ্যাপেলে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওকাসিও-কর্টেজ নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট পদ বা আসন দখল করা তার মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং তার আসল আকাঙ্ক্ষা হলো ‘দেশকে পরিবর্তন করা’। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত শ্রোতারা করতালিতে ফেটে পড়েন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ২০২৮ সালের নির্বাচনে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ওকাসিও-কর্টেজের জন্য বেশ অনুকূল হতে পারে। ডেমোক্রেটিক পার্টির পুরোনো ও প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর ভোটারদের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ ও হতাশ। দলে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা ওকাসিও-কর্টেজের মতো তরুণ নেত্রীর জন্য বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের মতো প্রগতিশীল এজেন্ডাগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকজন প্রগতিশীল প্রার্থীর নির্বাচনি সাফল্য তার এই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে。

জনপ্রিয়তার দৌড়েও ওকাসিও-কর্টেজ বেশ এগিয়ে রয়েছেন। গত জুলাই মাসে ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের পরিচালিত এক জরিপে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় তাকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে; কেবল ইনস্টাগ্রামেই তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। তার সমর্থকদের তালিকায় যেমন রয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ (ডিএসএ)-এর মতো প্রগতিশীল সংগঠন, তেমনি ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির মতো শীর্ষস্থানীয় নেত্রীর সমর্থনও রয়েছে তার প্রতি।

ডিএসএ-এর কো-চেয়ার আশিক সিদ্দিকি মনে করেন, ওকাসিও-কর্টেজ যদি শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা তাদের সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। তার মতে, ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার জন্য ওকাসিও-কর্টেজের মতো একজন শক্তিশালী কণ্ঠস্বরের থাকা অত্যন্ত জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh