কবরে মাটি দেওয়ার নিয়ম ও রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া
- আপডেট সময় : ০৮:৩৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

মানুষ মরণশীল। এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে কেউই স্থায়ী নয়। দুনিয়ার টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ, পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব সবাইকে ছেড়ে একদিন সবাইকে ওপারে পাড়ি জমাতে হবে। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এবং তোমরা নিজ নিজ কাজের প্রতিফল সম্পূর্ণভাবেই কেয়ামতের দিন পাবে।’ (সুরা আলে ইমরান : ১৮৫)। আল্লাহ আরও বলেন, ‘অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন একমুহূর্তও বিলম্বিত কিংবা ত্বরান্বিত করতে পারবে না।’ (সুরা নাহল : ৬১)।
মৃত ব্যক্তিকে দাফনের সময় উপস্থিত লোকদের জন্য কবরে তিনবার উভয় হাত দিয়ে মাটি দেওয়া মুস্তাহাব। এই মাটি মৃত ব্যক্তির মাথার দিক থেকে দেওয়া উত্তম। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) এক জানাজার নামাজ আদায় করে মৃতের কবরের কাছে আসেন এবং তার মাথার দিকে তিনবার মাটি দেন।’ (ইবনে মাজাহ : ১৫৬৫; তাবয়িনুল হাকায়েক, ১/৫৮৭)।
কবরে মাটি দেওয়ার সময় দুই হাত ব্যবহার করা নিয়ম। মাটি দেওয়ার সময় দোয়া পড়া উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) মাটি দেওয়ার সময় দোয়া পড়তেন। আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কন্যা উম্মে কুলসুমকে কবরে রাখা হয়, তখন তিনি একটি দোয়া পড়েছিলেন। এই দোয়ার বাংলা উচ্চারণ হলো—‘মিনহা খালাকনাকুম, ওয়া ফিহা নুয়িদুকুম, ওয়ামিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা।’ এর অর্থ হলো—‘আমি মাটি থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি, আর মাটিতেই তোমাদের ফিরিয়ে আনব। পুনরায় তোমাদের মাটি থেকে বের করব।’ (সুরা তহা : ৫৫)।
কোনো ব্যক্তিকে মাটি দেওয়ার সময় এই দোয়াটি পড়ার নিয়ম হলো—প্রথমবার মাটি দেওয়ার সময় ‘মিনহা খালাকনাকুম’ বলতে হয়। দ্বিতীয়বার ‘ওয়া ফিহা নুয়িদুকুম’ বলতে হয়। আর তৃতীয়বার ‘ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা’ বলতে হয়। (বায়হাকি : ৬৯৭৩)।




























