ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপারেটর নিয়োগের সরকারি আদেশ পাঁচ দিনেও পায়নি বিপিসি পুতিন কেন আরও আগ্রাসী হয়ে উঠছেন: ক্ষমতার রাজনীতি ও বাস্তবতা ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, জানালেন কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু আজ বাসযাত্রায় তুলনামূলক নিরাপদ যে সারির আসন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি: বিশ্বকবির স্মৃতিধন্য আঙিনায় এক ভ্রমণ রাঙামাটিতে কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪১৫ জন আটক মঞ্চে সহ-অভিনেতার বুকে মাথা রাখার দৃশ্যে ইরানে নাট্যদলের বিরুদ্ধে মামলা কোহলির রেকর্ড গড়া ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের দাপুটে জয়

পীরগঞ্জে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ও দাখিলে শূন্য পাস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রংপুরের পীরগঞ্জে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০টি দাখিল মাদ্রাসা ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে এই ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য শতাংশ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শূন্য পাসের হারের তালিকায় থাকা ১০টি মাদ্রাসা হলো—ছাতুয়া দাখিল মাদ্রাসা, অনন্তরামপুর দাখিল মাদ্রাসা, কুমরসহি দাখিল মাদ্রাসা, পত্নীচড়া দাখিল মাদ্রাসা, মদনখালী দাখিল মাদ্রাসা, বড় আলমপুর আবুল হোসেন দাখিল মাদ্রাসা, ছোট উজিরপুর দাখিল মাদ্রাসা, গন্ধর্বপুর দাখিল মাদ্রাসা, খেদমতপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও জুনিদপুর দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়া শূন্য পাসের তালিকায় থাকা দুটি উচ্চ বিদ্যালয় হলো কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর হতাশা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের তদারকির অভাব এবং দীর্ঘদিন ধরে জবাবদিহিতার বাইরে থাকায় এমন বিপর্যয় ঘটেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর আগে পাঠদানের অনুমতি পায়। এ বছর ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে মাত্র ৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন, বাকিরা এখনও এমপিওভুক্ত হননি। তবে তিনি আগামীতে ভালো ফলাফলের আশা ব্যক্ত করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ও দাখিলে শূন্য পাস

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের পীরগঞ্জে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০টি দাখিল মাদ্রাসা ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে এই ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য শতাংশ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শূন্য পাসের হারের তালিকায় থাকা ১০টি মাদ্রাসা হলো—ছাতুয়া দাখিল মাদ্রাসা, অনন্তরামপুর দাখিল মাদ্রাসা, কুমরসহি দাখিল মাদ্রাসা, পত্নীচড়া দাখিল মাদ্রাসা, মদনখালী দাখিল মাদ্রাসা, বড় আলমপুর আবুল হোসেন দাখিল মাদ্রাসা, ছোট উজিরপুর দাখিল মাদ্রাসা, গন্ধর্বপুর দাখিল মাদ্রাসা, খেদমতপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও জুনিদপুর দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়া শূন্য পাসের তালিকায় থাকা দুটি উচ্চ বিদ্যালয় হলো কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর হতাশা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের তদারকির অভাব এবং দীর্ঘদিন ধরে জবাবদিহিতার বাইরে থাকায় এমন বিপর্যয় ঘটেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর আগে পাঠদানের অনুমতি পায়। এ বছর ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে মাত্র ৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন, বাকিরা এখনও এমপিওভুক্ত হননি। তবে তিনি আগামীতে ভালো ফলাফলের আশা ব্যক্ত করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh