ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গোপনে আবুধাবি সফরে নেতানিয়াহু, বৈঠক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় করতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম আশুলিয়ায় উচ্ছেদ অভিযানে আনসার-হকার সংঘর্ষ, আহত ৪ শরীয়তপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে তালা ভেঙে ল্যাপটপ ও ট্যাব চুরি এইচএসসি উত্তীর্ণদের শিক্ষাবৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন আজকের পর্দায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচসহ নেশন্স লিগের ফুটবল লড়াই কাশীয়ানীতে ১৯৮ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্প-শি বৈঠকে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রে আসবে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের টাকা লোপাট: পলাতক কর্মকর্তা শরীফুজ্জামান ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

সকালের বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিতে ইসলামের বিশেষ নির্দেশনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইসলামে সকালের সময়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইশার নামাজের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, যা তার গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। একজন প্রকৃত মুসলমানের দিন শুরু হয় ফজরের নামাজের মাধ্যমে। বিপরীতে, মুনাফিকরা ফজরের নামাজের জামাতে শামিল হতে চায় না। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বোখারি শরিফের ৬২৪ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের ওপর ফজর ও ইশার নামাজের চেয়ে ভারী কোনো নামাজ নেই। তারা যদি এই নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা জামাতে উপস্থিত হতো।

দিনের শুরুতে কাজে বেরিয়ে পড়লে জীবনে রহমত ও বরকত নেমে আসে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত রিজিক লাভ করা সম্ভব হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কেবল ধর্মীয় নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক দিক থেকেও অত্যন্ত উপকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকালের বরকতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেছেন। তিরমিজি শরিফের ১২১২ নম্বর হাদিসে সাখর গামিদী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ, তুমি আমার উম্মতের জন্য ভোরের মধ্যে বরকত দান করো। সাখর গামিদী নিজে ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি তার ব্যবসার মালামাল দিনের শুরুতেই পাঠিয়ে দিতেন, যার ফলে তিনি ধনবান হয়েছিলেন এবং তার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো সৈন্যবাহিনী পাঠাতে চাইলে দিনের প্রথমাংশকেই বেছে নিতেন।

সকালবেলা যারা ঘুমানোর অভ্যাস করেন, তাদের শারীরিক সজীবতা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন অসুস্থতা তাদের ঘিরে ধরে। এছাড়া দিনের পরবর্তী কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং রিজিক থেকেও বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিষয়ে সতর্ক করে আলি (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার ফাতেমা (রা.)-কে সকালবেলা প্রভাত-নিদ্রায় শায়িত অবস্থায় দেখে তাকে পা দিয়ে হালকা খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, হে কন্যা, উঠো, তোমার প্রভুর রিজিক বণ্টনের সময় তুমি উপস্থিত থাক এবং গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। মূলত সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মহান আল্লাহ মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।

মহান আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব : ২৬২৭)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সকালের বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিতে ইসলামের বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামে সকালের সময়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইশার নামাজের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, যা তার গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। একজন প্রকৃত মুসলমানের দিন শুরু হয় ফজরের নামাজের মাধ্যমে। বিপরীতে, মুনাফিকরা ফজরের নামাজের জামাতে শামিল হতে চায় না। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বোখারি শরিফের ৬২৪ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের ওপর ফজর ও ইশার নামাজের চেয়ে ভারী কোনো নামাজ নেই। তারা যদি এই নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা জামাতে উপস্থিত হতো।

দিনের শুরুতে কাজে বেরিয়ে পড়লে জীবনে রহমত ও বরকত নেমে আসে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত রিজিক লাভ করা সম্ভব হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কেবল ধর্মীয় নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক দিক থেকেও অত্যন্ত উপকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকালের বরকতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেছেন। তিরমিজি শরিফের ১২১২ নম্বর হাদিসে সাখর গামিদী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ, তুমি আমার উম্মতের জন্য ভোরের মধ্যে বরকত দান করো। সাখর গামিদী নিজে ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি তার ব্যবসার মালামাল দিনের শুরুতেই পাঠিয়ে দিতেন, যার ফলে তিনি ধনবান হয়েছিলেন এবং তার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো সৈন্যবাহিনী পাঠাতে চাইলে দিনের প্রথমাংশকেই বেছে নিতেন।

সকালবেলা যারা ঘুমানোর অভ্যাস করেন, তাদের শারীরিক সজীবতা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন অসুস্থতা তাদের ঘিরে ধরে। এছাড়া দিনের পরবর্তী কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং রিজিক থেকেও বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিষয়ে সতর্ক করে আলি (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার ফাতেমা (রা.)-কে সকালবেলা প্রভাত-নিদ্রায় শায়িত অবস্থায় দেখে তাকে পা দিয়ে হালকা খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, হে কন্যা, উঠো, তোমার প্রভুর রিজিক বণ্টনের সময় তুমি উপস্থিত থাক এবং গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। মূলত সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মহান আল্লাহ মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।

মহান আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব : ২৬২৭)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh