ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়ালটনে ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার নিয়োগ, আবেদনের সুযোগ ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ট্রুথ সোশ্যালে আগাম পোস্ট দেখার সুবিধা, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: জাজান হামলার পর নতুন সমীকরণ ও বাংলাদেশের স্বার্থ বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরকে নিতে রাজি নয় সৌদি আরব টিকাদান কর্মসূচিতে দেশসেরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন অসুস্থ মাওলানা ইলিয়াস আতহারীর সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, ৬ জনের সাত দিনের রিমান্ড সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার রঙমিস্ত্রি তুরস্কের ইয়ালোভায় প্রশিক্ষণকালে বিধ্বস্ত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।