ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক ফ্রান্সে মূল্যস্ফীতি ৩.১%, এক বছরে জ্বালানির দাম বেড়েছে ২১.৩ শতাংশ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩ ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।