ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় ১৫০ জন ভ্যান ও রিকশা চালককে ছাতা উপহার স্বাবলম্বী হতে সুন্দরবনের ৩১ বাঘ বিধবা পরিবার পেল ছাগল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালককে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই তিস্তায় বন্যা শেষে তীব্র ভাঙন, নীলফামারীর নদীপাড়ে চরম আতঙ্ক যুক্তরাজ্যে ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, দাবানলের ঝুঁকিতে সতর্কতা জারি কুরিল দ্বীপে পুতিনের সফর ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’: জাপানের প্রধানমন্ত্রী মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হিটু শেখের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ মুক্তির আগেই বস্তায় ভরে টাকা নিয়েছিলেন ডিপজল দাউদকান্দিতে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান চবি উপাচার্যের সঙ্গে কর্ণফুলী রেজিমেন্ট কমান্ডারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, ৬ জনের সাত দিনের রিমান্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম, পরিচয়, সিল, স্বাক্ষর ও অফিশিয়াল লেটারহেড জাল করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. সামিম সরদার গত ৭ আগস্ট আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। বুধবার আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ও খাম ব্যবহার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সাত পাতার একটি নথিপত্র পাঠানো হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিবসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছিল। নথির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ হলে বিষয়টি ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হয়।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিচয় ও লেটারহেড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এরপর মাদারীপুরের কালকিনি ও কুষ্টিয়া থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রায়হানুর রহমান রমনা থানায় মামলা করেন। মামলার পরদিন রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের কাছ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রী-এমপিদের সিল ও লেটারহেড জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই চক্রটি সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে বড় ধরনের প্রতারণার পরিকল্পনা করছিল। রিমান্ডে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, ৬ জনের সাত দিনের রিমান্ড

আপডেট সময় : ১১:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম, পরিচয়, সিল, স্বাক্ষর ও অফিশিয়াল লেটারহেড জাল করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. সামিম সরদার গত ৭ আগস্ট আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। বুধবার আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ও খাম ব্যবহার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সাত পাতার একটি নথিপত্র পাঠানো হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিবসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছিল। নথির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ হলে বিষয়টি ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হয়।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিচয় ও লেটারহেড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এরপর মাদারীপুরের কালকিনি ও কুষ্টিয়া থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রায়হানুর রহমান রমনা থানায় মামলা করেন। মামলার পরদিন রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের কাছ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রী-এমপিদের সিল ও লেটারহেড জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই চক্রটি সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে বড় ধরনের প্রতারণার পরিকল্পনা করছিল। রিমান্ডে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor