ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠাল সংসদ সচিবালয় সদস্যদের ৪ কোটি টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি যুবধারা চেয়ারম্যানের আওয়ামী লীগের বিচার হওয়া উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল আংশিক চালু, গ্রিডে ফিরল গ্যাস সরবরাহ শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে যেভাবে মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায় ফ্যামিলি কার্ডের সুফল পেতে স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা জরুরি: ফাহমিদা খাতুন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ থাড ক্ষেপণাস্ত্র শেষ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জবাবে পাল্টা সাত মার্কিন কোম্পানির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা মোদি-সংক্রান্ত পোস্ট সীমাবদ্ধ করায় ভারতের কাছে ক্ষমা চাইল মেটা সরকারকে ব্যর্থ করতে চক্রান্ত চলছে: রুহুল কবির রিজভী

সদস্যদের ৪ কোটি টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি যুবধারা চেয়ারম্যানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

চাঁদপুরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সমবায় সমিতির সদস্যদের পাওনা প্রায় ৪ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুবধারার চেয়ারম্যান মো. জুলহাস মিয়া। বুধবার (৫ আগস্ট) হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সুযোগ চেয়ে এই ঘোষণা দেন। প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে জুলহাস মিয়া লিখিত বক্তব্যে পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জুলহাস মিয়া জানান, ২০২৩ সালে সমিতির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের কিস্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় সদস্যদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেয়। এর ফলে সঞ্চয় উত্তোলনের চাপ বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ গ্রহণকারী গ্রাহকরা কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এর আগেও তিনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের সঞ্চয়ের প্রায় ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে গ্রাহকদের সঞ্চয় বাবদ সমিতির প্রায় ৪ কোটি টাকা দায় থাকলেও, বিপরীতে সমিতির প্রায় ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। তবে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেই বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।

সদস্যদের উদ্দেশে জুলহাস মিয়া বলেন, “আমি আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে চাই। এজন্য সমিতির অফিসিয়াল কার্যক্রম চালু করতে হবে। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করতে পারলে ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা পরিশোধ করতে পারব। কারণ, আপনাদের সঞ্চয়ের তুলনায় আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় চার গুণ বেশি।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সদস্যদের ৪ কোটি টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি যুবধারা চেয়ারম্যানের

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

চাঁদপুরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সমবায় সমিতির সদস্যদের পাওনা প্রায় ৪ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুবধারার চেয়ারম্যান মো. জুলহাস মিয়া। বুধবার (৫ আগস্ট) হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সুযোগ চেয়ে এই ঘোষণা দেন। প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে জুলহাস মিয়া লিখিত বক্তব্যে পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জুলহাস মিয়া জানান, ২০২৩ সালে সমিতির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের কিস্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় সদস্যদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেয়। এর ফলে সঞ্চয় উত্তোলনের চাপ বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ গ্রহণকারী গ্রাহকরা কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এর আগেও তিনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের সঞ্চয়ের প্রায় ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে গ্রাহকদের সঞ্চয় বাবদ সমিতির প্রায় ৪ কোটি টাকা দায় থাকলেও, বিপরীতে সমিতির প্রায় ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। তবে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেই বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।

সদস্যদের উদ্দেশে জুলহাস মিয়া বলেন, “আমি আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে চাই। এজন্য সমিতির অফিসিয়াল কার্যক্রম চালু করতে হবে। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করতে পারলে ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা পরিশোধ করতে পারব। কারণ, আপনাদের সঞ্চয়ের তুলনায় আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় চার গুণ বেশি।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh