ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সালথায় গর্তে হাত ও পা দিতেই সাপের ছোবল, নারী ও শিশুর মৃত্যু মাঝ আকাশে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে টার্বুলেন্স, আহত ১৪ যাত্রী ও ক্রু সৌদির ৮ তেল ট্যাংকারে হুথিদের হামলা, লোহিত সাগরে ২৯টি বাধা রাজধানীর বাজারে সবজির দামে আগুন, বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গণভবন থেকে হিন্দন: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের নেপথ্যের ঘটনাপ্রবাহ জনগণের জন্য গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব: ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র নিয়ে হট্টগোল, দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রীর ছাতকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ তারেক রহমানকে নিয়ে সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্টের নেপথ্যে কী? প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সংগীতশিল্পী জাহিদ নিরব

বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে এই চুক্তি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাসের মাথায় এই সিইপিএ সম্পন্ন করল।

চুক্তির শর্তানুসারে, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্কনীতির সুবিধা পাবে। এর বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ৮৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা লাভ করবে। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দুই ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে পাওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাটজাতপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং ব্যাপক বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, যা এই চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসার মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্ব পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উভয় দেশকেই আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে এই বহুমুখীকরণ অনুসরণ করতে হবে। তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তি ও সাপ্লাইচেইন খাতে দুই দেশ একত্রে কাজ করতে আগ্রহী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

আপডেট সময় : ০১:৪১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
print news

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে এই চুক্তি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাসের মাথায় এই সিইপিএ সম্পন্ন করল।

চুক্তির শর্তানুসারে, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্কনীতির সুবিধা পাবে। এর বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ৮৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা লাভ করবে। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দুই ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে পাওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাটজাতপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং ব্যাপক বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, যা এই চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসার মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্ব পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উভয় দেশকেই আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে এই বহুমুখীকরণ অনুসরণ করতে হবে। তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তি ও সাপ্লাইচেইন খাতে দুই দেশ একত্রে কাজ করতে আগ্রহী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin