ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করল জেলা প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম চলন্ত সিঁড়ির পাশের কালো ব্রাশ কেন থাকে? জেনে নিন আসল কারণ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির শঙ্কা, কমতে পারে তাপমাত্রা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব ওমানে সাগরে পড়ে নিখোঁজ নোয়াখালীর প্রবাসী আবু ছায়েদ মিসরের বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কূটনৈতিক উত্তেজনা: রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও তলব পুলিশের ঘিরে ফেলা বাড়ি থেকে ছাদ দিয়ে পালালেন সন্ত্রাসী রায়হান ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে ফিরলেন পাঁচ বাংলাদেশি নারী

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদের রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সতর্ক থাকো রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের ব্যাপারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের পর্যবেক্ষক।’ (সুরা নিসা: ১)।

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-ও তার উম্মতদের আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি: ৬১৩৮)। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যারা আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে না, মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করবেন।’ (রিয়াদুস সালেহিন: ৩২৮)।

তাই প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব হলো আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মা-বাবার পরেই নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক কোরো না। আর সদ্ব্যবহার করো বাবা-মায়ের সঙ্গে, নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে, এতিম, মিসকিন, নিকট প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সাথি, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক, অহংকারী।’ (সুরা নিসা: ৩৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
print news

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদের রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সতর্ক থাকো রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের ব্যাপারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের পর্যবেক্ষক।’ (সুরা নিসা: ১)।

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-ও তার উম্মতদের আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি: ৬১৩৮)। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যারা আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে না, মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করবেন।’ (রিয়াদুস সালেহিন: ৩২৮)।

তাই প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব হলো আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মা-বাবার পরেই নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক কোরো না। আর সদ্ব্যবহার করো বাবা-মায়ের সঙ্গে, নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে, এতিম, মিসকিন, নিকট প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সাথি, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক, অহংকারী।’ (সুরা নিসা: ৩৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh