ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন, সহ-অধিনায়ক হৃদয় আসামের বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান ও তার দাতব্য সংস্থা দেশ গড়ার লক্ষ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: মির্জা ফখরুল দালাল ও টেস্ট বাণিজ্য বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিলেটে এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কিসমত খন্দকার আর নেই বিদেশের মাটিতে টেস্টে টানা অষ্টম হারের লজ্জায় পাকিস্তান একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা তোলার নিয়ম আরও সহজ খিলগাঁও ও মুগদা থানার দুই হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় শাস্তির দাবিতে শিক্ষকদের স্মারকলিপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থী নির্যাতন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগ তুলে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্কের দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আহত দুই শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাবন্দি এই শিক্ষার্থীরা হলেন ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদুল হাসান।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, প্রক্টর অফিস, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এমনকি অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের মতে, এসব ঘটনা ক্যাম্পাসে আইনের শাসন ও শিক্ষার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা স্পষ্ট করে বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত ও বিচার করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কোনো ছাত্রসংগঠন বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে বলপ্রয়োগের সংস্কৃতিকে তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বিবৃতিতে রাকসু নির্বাচনের পর থেকেই জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এখতিয়ারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের বিভিন্ন আন্দোলন, প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া, শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং লাঠি নিয়ে তথাকথিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার মতো ঘটনা উল্লেখ করা হয়। অতীতে সংঘটিত এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে তারা ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও ভয়মুক্ত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে কমিটি তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় শাস্তির দাবিতে শিক্ষকদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ১০:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
print news

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থী নির্যাতন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগ তুলে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্কের দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আহত দুই শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাবন্দি এই শিক্ষার্থীরা হলেন ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদুল হাসান।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, প্রক্টর অফিস, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এমনকি অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের মতে, এসব ঘটনা ক্যাম্পাসে আইনের শাসন ও শিক্ষার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা স্পষ্ট করে বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত ও বিচার করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কোনো ছাত্রসংগঠন বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে বলপ্রয়োগের সংস্কৃতিকে তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বিবৃতিতে রাকসু নির্বাচনের পর থেকেই জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এখতিয়ারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের বিভিন্ন আন্দোলন, প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া, শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং লাঠি নিয়ে তথাকথিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার মতো ঘটনা উল্লেখ করা হয়। অতীতে সংঘটিত এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে তারা ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও ভয়মুক্ত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে কমিটি তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh