জুলাই আন্দোলনে শহীদ জবি শিক্ষার্থী সাজিদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল

- আপডেট সময় : ০১:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ইকরামুল হক সাজিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জবি ছাত্রদল কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শহীদ সাজিদের মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এসময় জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল, সদস্যসচিব শামসুল আরেফিনসহ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, শহীদ সাজিদের রক্ত বাংলাদেশের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবদান রেখেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে যে আত্মত্যাগ করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাজিদও নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা শহীদদের আত্মত্যাগের ঋণ ধারণ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে কাজ করব যেখানে গণতন্ত্র, মানুষের কথা বলার অধিকার এবং শিক্ষার অধিকার সুসংহত হবে। সাজিদ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন এবং তাঁর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদল কাজ করে যাবে।
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শহীদ সাজিদসহ সব শহীদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যে মতাদর্শেরই হোক না কেন, আন্দোলন-সংগ্রামে গুম, খুন বা আত্মত্যাগের শিকার শিক্ষার্থীদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল সবসময় থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শহীদ সাজিদের মা অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি পরিবারের জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, যারা বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন, তারা যেন শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ রাখেন এবং শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেন। তিনি তাঁর ছেলে সাজিদের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ইকরামুল হক সাজিদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ আগস্ট দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।




























