ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ছড়িয়েছে বিক্ষোভ

- আপডেট সময় : ১১:০০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত তরুণরা দিল্লির যন্তর-মন্তর ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সংসদের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়ার পর এই আন্দোলনের গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানী দিল্লির বাইরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
দিল্লির পাশাপাশি বুধবার মহারাষ্ট্রের মুম্বাই, কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু এবং বিহারের পাটনার মতো বড় শহরগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাটনায় তরুণদের সমাবেশে পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করেছে। এছাড়া গুজরাটের আহমেদাবাদে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর কয়েকজন সমর্থককে পুলিশ আটক করেছে। এই সিজেপির নেতৃত্বেই আন্দোলনটি পরিচালিত হচ্ছে, যা নরেন্দ্র মোদি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার আটক হওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বুধবার কালো পোশাক পরে সংসদে উপস্থিত হয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন আছে এবং তাদের সুরক্ষা ও ভবিষ্যতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে পরিস্থিতি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেছিলেন, সরকার সংস্কারের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। তবে মন্ত্রীর আশ্বাসের পরও বুধবার যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভকারীদের জমায়েত দেখা গেছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক তরুণী বলেন, সরকার আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে। অপর এক বিক্ষোভকারী জানান, প্রথমবারের মতো দেশের তরুণরা নিজেদের আওয়াজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশের মারধর ও বলপ্রয়োগের কারণে কেউ কেউ ভয় পেলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আন্দোলনকারী এই তরুণ উল্লেখ করেন, একবার থেমে গেলে পুনরায় আন্দোলন শুরু করা কঠিন হবে এবং ভারতে ভবিষ্যৎ কল্পনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মতে, আওয়াজ তুললেই চুপ করে দেওয়া হয়, তাই পুরো ব্যবস্থাটাই বদলানো প্রয়োজন এবং রাজনৈতিক নেতাদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।




























