ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ মুকসুদপুরে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

বাংলা কবিতার নতুন ছন্দপ্রস্তাবনা ‘কুত্রাপি’ উদ্ভাবন করলেন দ্রাবিড় সৈকত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলা কবিতার নতুন এবং স্বতন্ত্র ধারার নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে 'কুত্রাপি'। এই কাব্যধারার উদ্ভাবক হলেন কবি, লেখক এবং চিত্রশিল্পী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একজন শিক্ষক।

কুত্রাপি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দ্রাবিড় সৈকত জানান, এটি মূলত কবিতার এক ধরনের ছন্দপ্রস্তাবনা। এই ধারায় অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, আদ্যমিল, যমক ও উৎপ্রেক্ষার মতো অলঙ্কার ব্যবহারের পাশাপাশি ভাবগত ও ধ্বনিগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়। কবি জানান, কুত্রাপি ধারায় কবিতা লেখার সময় ছন্দহীনতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় শৃঙ্খলায় ফিরে আসার এক বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই ধারার প্রতিটি কবিতার লাইন সংখ্যা অবশ্যই ৯ অথবা ১১টি হতে হবে।

কবি দ্রাবিড় সৈকত তাঁর এই নতুন ধারায় বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কুত্রাপি-৬২৭ কবিতায় তিনি প্রেমিকের হাতে আশ্চর্য প্রদীপের জ্বলে ওঠা ও দাবানলের রূপক ব্যবহার করেছেন। কুত্রাপি-৬২৮ কবিতায় মুখোশধারী পুজারি ও সময়ের পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কুত্রাপি-৬২৯ কবিতায় অতলান্তিক চোখ ও ক্লান্তির ছাপের মধ্য দিয়ে বিরহ ও মায়ার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। কুত্রাপি-৬৩০ কবিতায় সামাজিক অনাচার ও মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র এবং কুত্রাপি-৬৩১ কবিতায় ইলিশের উজানে ছুটে চলা ও বেদনার অনুভবের মাধ্যমে জীবনদর্শনের এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলা কবিতার নতুন ছন্দপ্রস্তাবনা ‘কুত্রাপি’ উদ্ভাবন করলেন দ্রাবিড় সৈকত

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বাংলা কবিতার নতুন এবং স্বতন্ত্র ধারার নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে 'কুত্রাপি'। এই কাব্যধারার উদ্ভাবক হলেন কবি, লেখক এবং চিত্রশিল্পী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একজন শিক্ষক।

কুত্রাপি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দ্রাবিড় সৈকত জানান, এটি মূলত কবিতার এক ধরনের ছন্দপ্রস্তাবনা। এই ধারায় অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, আদ্যমিল, যমক ও উৎপ্রেক্ষার মতো অলঙ্কার ব্যবহারের পাশাপাশি ভাবগত ও ধ্বনিগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়। কবি জানান, কুত্রাপি ধারায় কবিতা লেখার সময় ছন্দহীনতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় শৃঙ্খলায় ফিরে আসার এক বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই ধারার প্রতিটি কবিতার লাইন সংখ্যা অবশ্যই ৯ অথবা ১১টি হতে হবে।

কবি দ্রাবিড় সৈকত তাঁর এই নতুন ধারায় বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কুত্রাপি-৬২৭ কবিতায় তিনি প্রেমিকের হাতে আশ্চর্য প্রদীপের জ্বলে ওঠা ও দাবানলের রূপক ব্যবহার করেছেন। কুত্রাপি-৬২৮ কবিতায় মুখোশধারী পুজারি ও সময়ের পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কুত্রাপি-৬২৯ কবিতায় অতলান্তিক চোখ ও ক্লান্তির ছাপের মধ্য দিয়ে বিরহ ও মায়ার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। কুত্রাপি-৬৩০ কবিতায় সামাজিক অনাচার ও মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র এবং কুত্রাপি-৬৩১ কবিতায় ইলিশের উজানে ছুটে চলা ও বেদনার অনুভবের মাধ্যমে জীবনদর্শনের এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh