ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে ফেরার লক্ষ্য নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি মেসি ও ইয়ামাল: ১৯ বছর আগের সেই স্মৃতি সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: এ বছর ১১ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন লিওনেল মেসি ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় জন্ম নেয়া ফাতেমার চতুর্থ জন্মদিন পালন ডিএনসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার প্রস্তাব জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল, তবে পূর্ণতা পেতে আরও কাজ বাকি: বক্তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও ইসলাম: গুরুত্ব ও দায়বদ্ধতার স্বরূপ শহীদ আবু সাঈদের কবরের পাশে এখনো অঝোরে কাঁদেন মা মনোয়ারা বেগম ২০২৮ ইউরো পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কোচ থাকছেন টমাস টুখেল

ডিএনসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার প্রস্তাব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাজেট উপস্থাপন করেন। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেটের আকার প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা কম। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডিএনসিসির বাজেটের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৬৯ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সড়ক ও ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এছাড়া সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের জন্য ৯৬৫ কোটি টাকা, অন্যান্য ব্যয়ের জন্য ৮৭৯ কোটি টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ৫১১ কোটি টাকা এবং মশকনিধন ও স্বাস্থ্য খাতে ২০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে খেলার মাঠ, পার্ক ও শৌচাগার উন্নয়নের জন্য, যা সাড়ে ১১ কোটি টাকা।

আয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে জানানো হয়, এই অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব শাখার কর আদায় থেকে ১ হাজার ২১০ কোটি টাকা, সম্পত্তি হস্তান্তর কর থেকে ৭৫০ কোটি টাকা, ট্রেড লাইসেন্স বাবদ ১৬৫ কোটি টাকা এবং সড়ক খনন ফি থেকে ১০০ কোটি টাকা আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ডিএনসিসি কর্মকর্তারা জানান, তৎকালীন প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সময়ে ১৪টি খাত থেকে মোট ৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে আয় হয়েছিল ১ হাজার ১০৪ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩৩ শতাংশের কিছু বেশি। রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, গত বছর কিছু খাতে অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব ছিল।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিএনসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
print news

রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাজেট উপস্থাপন করেন। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেটের আকার প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা কম। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডিএনসিসির বাজেটের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৬৯ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সড়ক ও ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এছাড়া সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের জন্য ৯৬৫ কোটি টাকা, অন্যান্য ব্যয়ের জন্য ৮৭৯ কোটি টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ৫১১ কোটি টাকা এবং মশকনিধন ও স্বাস্থ্য খাতে ২০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে খেলার মাঠ, পার্ক ও শৌচাগার উন্নয়নের জন্য, যা সাড়ে ১১ কোটি টাকা।

আয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে জানানো হয়, এই অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব শাখার কর আদায় থেকে ১ হাজার ২১০ কোটি টাকা, সম্পত্তি হস্তান্তর কর থেকে ৭৫০ কোটি টাকা, ট্রেড লাইসেন্স বাবদ ১৬৫ কোটি টাকা এবং সড়ক খনন ফি থেকে ১০০ কোটি টাকা আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ডিএনসিসি কর্মকর্তারা জানান, তৎকালীন প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সময়ে ১৪টি খাত থেকে মোট ৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে আয় হয়েছিল ১ হাজার ১০৪ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩৩ শতাংশের কিছু বেশি। রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, গত বছর কিছু খাতে অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব ছিল।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh