ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাছ লাগিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়, পরিচর্যায় সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স-স্পেন: ডালাসে প্রতিশোধের লড়াই বাস-ট্রেন-বিমানসহ জনসমাগমস্থলে বাজুক নজরুলের গান, দাবি গবেষকদের ফেসবুকে প্রশাসনের সমালোচনা করায় জকসু সদস্যকে প্রক্টর অফিসে তলব বিশ্বকাপে ভিএআর সুবিধা পাওয়ার তালিকায় শীর্ষে মেক্সিকো গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস: কেন জরুরি আলট্রাসনোগ্রাম ও সচেতনতা মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় বৃদ্ধি ও অনিয়মের তদন্তে নির্দেশ সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অর্ধেকে নামিয়ে আনল সরকার বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার, জীবিত উদ্ধার ৭

সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, পাস বিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, প্রচার বা লেনদেনের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল’ পাস হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নির্দিষ্ট শ্রেণির ও পরিমাণের মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের দায়ে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন পাস হওয়া বিলে সাইবার স্পেসে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে বিশেষ বিধান যোগ করা হয়েছে। এর আওতায় কোনো ব্যক্তি যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন বা মধ্যস্থতা করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারও এই অপরাধের আওতাভুক্ত হবে।

আইন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পাস হওয়া এই বিলে উল্লেখ রয়েছে যে, এসব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড। তবে অপরাধটি আন্তর্জাতিকভাবে বা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মাধ্যমে সংগঠিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

আইনটিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার ও ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক-সংক্রান্ত অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধানও আবার যোগ করা হয়েছে, তবে সাধারণ আদালতে বিচারের বিদ্যমান এখতিয়ার অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে।

বিলটির ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাদক কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, পাস বিল

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
print news

সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, প্রচার বা লেনদেনের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল’ পাস হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নির্দিষ্ট শ্রেণির ও পরিমাণের মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের দায়ে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন পাস হওয়া বিলে সাইবার স্পেসে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে বিশেষ বিধান যোগ করা হয়েছে। এর আওতায় কোনো ব্যক্তি যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন বা মধ্যস্থতা করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারও এই অপরাধের আওতাভুক্ত হবে।

আইন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পাস হওয়া এই বিলে উল্লেখ রয়েছে যে, এসব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড। তবে অপরাধটি আন্তর্জাতিকভাবে বা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মাধ্যমে সংগঠিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

আইনটিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার ও ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক-সংক্রান্ত অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধানও আবার যোগ করা হয়েছে, তবে সাধারণ আদালতে বিচারের বিদ্যমান এখতিয়ার অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে।

বিলটির ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাদক কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।