ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোমবার একদিনের সফরে বরিশাল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিটফোর্ড এলাকায় ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ আসামির বিচার শুরু সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড: কার জয়ের সম্ভাবনা বেশি? সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত সোমবার বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফরাসি ফুটবলের অদ্ভুত কুসংস্কার ও ঐতিহাসিক সব মজার গল্প যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে ইসরায়েলি নেতাদের শোক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপের আহ্বান জানালেন পোপ লিও আর্জেন্টিনার জয়ে নিন্দুকদের নিয়ে ফেসবুকে খোঁচা দিলেন শাহনাজ খুশি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার

টেইলর সুইফটের বিয়ের স্থানের আবর্জনা সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন শিল্পী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন এলাকায় যে জনসমাগম হয়েছিল, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নতুন এক ব্যবসার আইডিয়া বের করেছেন স্থানীয় শিল্পী জাস্টিন গিগনাক। তিনি ভেন্যুর চারপাশ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া আবর্জনা সংগ্রহ করে তা চড়া দামে বিক্রি করছেন। গত শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় তিনি ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের চারপাশে ঘুরে বিভিন্ন পরিত্যক্ত বস্তু সংগ্রহ করেন।

শিল্পী জাস্টিন গিগনাক জানিয়েছেন, তিনি ভেন্যুর আশপাশ থেকে একটি ‘রিং পপ’ ক্যান্ডি, একটি ফেলে রাখা এয়ারপড এবং একটি ওভুলেশন টেস্ট কিট খুঁজে পেয়েছেন। সংগৃহীত এই বিচিত্র আবর্জনাগুলোকে তিনি ছোট ও বড় আকারের স্বচ্ছ প্লাস্টিকের কিউবে বা বাক্সে বন্দি করেছেন। গিগনাক জানান, তিনি ৫০টি ‘পকেট গার্বেজ’ কিউব তৈরি করেছেন যার প্রতিটির দাম রাখা হয়েছে ২৫ ডলার এবং বড় আকারের কিউবগুলোর দাম ধরা হয়েছে ১০০ ডলার করে।

তবে এই আবর্জনাগুলো সরাসরি বর-কনে বা অতিথিদের ফেলা—এমন কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি গিগনাক। তার ভাষ্যমতে, এগুলো বিয়ের সময় ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের বাইরের ময়লা। গত ২৫ বছর ধরে আবর্জনাকে কিউবে বন্দি করে শিল্পকর্ম হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন গিগনাক। তার মতে, পরিত্যক্ত জিনিসের মধ্যেও সৌন্দর্য ও আনন্দ খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

গিগনাকের এই অদ্ভুত ব্যবসায়িক উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মিডটাউনের বাসিন্দা নাটালিয়া ক্রুজ বলেন, টেইলর সুইফটের ভক্ত বা সুইফটিদের কাছে প্রিয় তারকার সঙ্গে সম্পৃক্ত যেকোনো কিছুরই বিশাল মূল্য রয়েছে, তাই মানুষ শখের বশেই এই ময়লাভর্তি বাক্সগুলো কিনবে। অনেক পর্যটকও বিষয়টিকে সুযোগ কাজে লাগানোর একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেইলর সুইফটের বিয়ের স্থানের আবর্জনা সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন শিল্পী

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
print news

মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন এলাকায় যে জনসমাগম হয়েছিল, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নতুন এক ব্যবসার আইডিয়া বের করেছেন স্থানীয় শিল্পী জাস্টিন গিগনাক। তিনি ভেন্যুর চারপাশ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া আবর্জনা সংগ্রহ করে তা চড়া দামে বিক্রি করছেন। গত শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় তিনি ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের চারপাশে ঘুরে বিভিন্ন পরিত্যক্ত বস্তু সংগ্রহ করেন।

শিল্পী জাস্টিন গিগনাক জানিয়েছেন, তিনি ভেন্যুর আশপাশ থেকে একটি ‘রিং পপ’ ক্যান্ডি, একটি ফেলে রাখা এয়ারপড এবং একটি ওভুলেশন টেস্ট কিট খুঁজে পেয়েছেন। সংগৃহীত এই বিচিত্র আবর্জনাগুলোকে তিনি ছোট ও বড় আকারের স্বচ্ছ প্লাস্টিকের কিউবে বা বাক্সে বন্দি করেছেন। গিগনাক জানান, তিনি ৫০টি ‘পকেট গার্বেজ’ কিউব তৈরি করেছেন যার প্রতিটির দাম রাখা হয়েছে ২৫ ডলার এবং বড় আকারের কিউবগুলোর দাম ধরা হয়েছে ১০০ ডলার করে।

তবে এই আবর্জনাগুলো সরাসরি বর-কনে বা অতিথিদের ফেলা—এমন কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি গিগনাক। তার ভাষ্যমতে, এগুলো বিয়ের সময় ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের বাইরের ময়লা। গত ২৫ বছর ধরে আবর্জনাকে কিউবে বন্দি করে শিল্পকর্ম হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন গিগনাক। তার মতে, পরিত্যক্ত জিনিসের মধ্যেও সৌন্দর্য ও আনন্দ খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

গিগনাকের এই অদ্ভুত ব্যবসায়িক উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মিডটাউনের বাসিন্দা নাটালিয়া ক্রুজ বলেন, টেইলর সুইফটের ভক্ত বা সুইফটিদের কাছে প্রিয় তারকার সঙ্গে সম্পৃক্ত যেকোনো কিছুরই বিশাল মূল্য রয়েছে, তাই মানুষ শখের বশেই এই ময়লাভর্তি বাক্সগুলো কিনবে। অনেক পর্যটকও বিষয়টিকে সুযোগ কাজে লাগানোর একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।