ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১০ জনের লিভারপুলকে হারিয়ে শেষ ৩০ মিনিটে সিটির জয় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা সৌদিতে চার দফা হামলার দাবি হুতিদের, লক্ষ্যবস্তু বিমানবন্দর ও আরামকো জনগণের স্বার্থে আবু সাঈদের মতো জীবন দেব: জামায়াত এমপি বেলাল ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়, রাসেলকে খালাস হাইকোর্টের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, যাত্রী টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত ও অগ্নিকাণ্ড হুতি হামলার জেরে রিয়াদে আতঙ্ক, বন্ধ বিমানবন্দর ও স্কুল

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের চুল কাটালেন স্কুল সভাপতি, অভিভাবকদের সঙ্গে হাতাহাতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ডেকে এনে বাইরে থেকে নাপিত ডেকে তাদের চুল কাটাতে বাধ্য করেন। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরে হাতাহাতি ও হট্টগোলে রূপ নেয়।

ভুক্তভোগী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন ও সাকিন হোসেন জানায়, তাদের কয়েকজনকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পাশের বাজার থেকে আনা নাপিতের মাধ্যমে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার শিকার এক শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল মালেক মোল্লা অভিযোগ করেন, সভাপতি অতি-কর্তৃত্ব দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ জানান, বুধবার অভিভাবকদের নিয়ে একটি মিটিং করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, যেসব শিক্ষার্থী এলোমেলো চুল রাখে তাদের চুল সুন্দর করে কেটে দেওয়া হবে এবং অসংগতিপূর্ণ ফেস মাস্ক পরা বন্ধ করা হবে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের ভালোর জন্যই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং হাতাহাতির ঘটনাটি একজন অভিভাবকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ফল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই এটি করেছিলেন। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না, তবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের জোর করে চুল কেটে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের চুল কাটালেন স্কুল সভাপতি, অভিভাবকদের সঙ্গে হাতাহাতি

আপডেট সময় : ১০:২৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ডেকে এনে বাইরে থেকে নাপিত ডেকে তাদের চুল কাটাতে বাধ্য করেন। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরে হাতাহাতি ও হট্টগোলে রূপ নেয়।

ভুক্তভোগী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন ও সাকিন হোসেন জানায়, তাদের কয়েকজনকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পাশের বাজার থেকে আনা নাপিতের মাধ্যমে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার শিকার এক শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল মালেক মোল্লা অভিযোগ করেন, সভাপতি অতি-কর্তৃত্ব দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ জানান, বুধবার অভিভাবকদের নিয়ে একটি মিটিং করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, যেসব শিক্ষার্থী এলোমেলো চুল রাখে তাদের চুল সুন্দর করে কেটে দেওয়া হবে এবং অসংগতিপূর্ণ ফেস মাস্ক পরা বন্ধ করা হবে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের ভালোর জন্যই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং হাতাহাতির ঘটনাটি একজন অভিভাবকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ফল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই এটি করেছিলেন। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না, তবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের জোর করে চুল কেটে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo