ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার : সালাহউদ্দিন আহমদ জামালপুরের বকশীগঞ্জে ঘরের চালের সাথে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কৃষি ও কৃষককে গুরুত্ব দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর ধানমন্ডিতে তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবককে মারধর, পরে কারাদণ্ড চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি পলাশবাড়ীতে প্লাবন হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা লিটন গ্রেপ্তার ড. ইউনূসকে হয়রানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, আমি বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যকে ভিত্তিহীন দাবি করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর সচিবালয়ে বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

নিজেকে বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, কোনো কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু নন। তিনি জানান, বগুড়া জেলায় দায়িত্ব পালন এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুবাদে তারেক রহমানের সাথে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি বগুড়ায় হওয়ার কারণে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী তাকে চেনেন এবং স্নেহ করেন, যা কেবলই একজন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় কর্মীর সাথে নেতার সম্পর্ক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রীর বয়সের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। তিনি জানান, ১৯৯৩-৯৪ সালে ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তারেক রহমানের সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এর আগে তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার সম্পদ আট গুণ বাড়ার মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যা তার পরিবার ও সমাজের মানুষের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

মীর শাহে আলম বিনয়ের সাথে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান, তাকে যেন আর কখনোই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু হিসেবে উল্লেখ না করা হয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ঢাকা শহরে বড় হয়েছেন এবং পড়াশোনা করেছেন, অন্যদিকে তার নিজের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। তাই তাদের সম্পর্কের ধরণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, আমি বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম

আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যকে ভিত্তিহীন দাবি করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর সচিবালয়ে বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

নিজেকে বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, কোনো কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু নন। তিনি জানান, বগুড়া জেলায় দায়িত্ব পালন এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুবাদে তারেক রহমানের সাথে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি বগুড়ায় হওয়ার কারণে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী তাকে চেনেন এবং স্নেহ করেন, যা কেবলই একজন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় কর্মীর সাথে নেতার সম্পর্ক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রীর বয়সের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। তিনি জানান, ১৯৯৩-৯৪ সালে ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তারেক রহমানের সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এর আগে তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার সম্পদ আট গুণ বাড়ার মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যা তার পরিবার ও সমাজের মানুষের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

মীর শাহে আলম বিনয়ের সাথে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান, তাকে যেন আর কখনোই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু হিসেবে উল্লেখ না করা হয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ঢাকা শহরে বড় হয়েছেন এবং পড়াশোনা করেছেন, অন্যদিকে তার নিজের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। তাই তাদের সম্পর্কের ধরণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy