ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মুখোমুখি ফ্রান্স ও মরক্কো দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির শুধু হাতবদল হয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগে মরক্কোর সংবাদ সম্মেলনে দুই সাংবাদিকের হাতাহাতি চীনের জুতা কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত অন্তত ২৮ জন জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জাতীয় পরিবেশ মেলায় স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ তরুণ তারকা ইয়ামাল যুক্তরাজ্যে তীব্র দাবদাহে পথচারীদের তৃষ্ণা মেটালেন ওবায়দুল কবীর বিশ্বকাপ ঘিরে সহিংসতা বন্ধে দেশবাসীর প্রতি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, আমি বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যকে ভিত্তিহীন দাবি করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর সচিবালয়ে বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

নিজেকে বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, কোনো কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু নন। তিনি জানান, বগুড়া জেলায় দায়িত্ব পালন এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুবাদে তারেক রহমানের সাথে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি বগুড়ায় হওয়ার কারণে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী তাকে চেনেন এবং স্নেহ করেন, যা কেবলই একজন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় কর্মীর সাথে নেতার সম্পর্ক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রীর বয়সের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। তিনি জানান, ১৯৯৩-৯৪ সালে ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তারেক রহমানের সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এর আগে তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার সম্পদ আট গুণ বাড়ার মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যা তার পরিবার ও সমাজের মানুষের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

মীর শাহে আলম বিনয়ের সাথে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান, তাকে যেন আর কখনোই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু হিসেবে উল্লেখ না করা হয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ঢাকা শহরে বড় হয়েছেন এবং পড়াশোনা করেছেন, অন্যদিকে তার নিজের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। তাই তাদের সম্পর্কের ধরণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, আমি বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম

আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
print news

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যকে ভিত্তিহীন দাবি করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর সচিবালয়ে বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

নিজেকে বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, কোনো কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু নন। তিনি জানান, বগুড়া জেলায় দায়িত্ব পালন এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুবাদে তারেক রহমানের সাথে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি বগুড়ায় হওয়ার কারণে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী তাকে চেনেন এবং স্নেহ করেন, যা কেবলই একজন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় কর্মীর সাথে নেতার সম্পর্ক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রীর বয়সের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। তিনি জানান, ১৯৯৩-৯৪ সালে ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তারেক রহমানের সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এর আগে তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার সম্পদ আট গুণ বাড়ার মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যা তার পরিবার ও সমাজের মানুষের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

মীর শাহে আলম বিনয়ের সাথে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান, তাকে যেন আর কখনোই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু হিসেবে উল্লেখ না করা হয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ঢাকা শহরে বড় হয়েছেন এবং পড়াশোনা করেছেন, অন্যদিকে তার নিজের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। তাই তাদের সম্পর্কের ধরণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে।