আমজাদহাটে তুচ্ছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাপ ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেন প্রতিবেশী
- আপডেট সময় : ১১:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে

ফখরুল আলম সাজু
ফেনী জেলা ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামে কলাগাছ রোপণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় পিতা-পুত্র কুপিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।
২৬ এপ্রিল রবিবার বিকেলে ৪টার দিকে ফুলগাজী উপজেলা আমজাদ হাট ইউনিয়ন দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন:- মোঃ শহীদুল্লাহ (৬০) মোঃ আকাশ (২৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৬ এপ্রিল রবিবার বিকালে নিজ জমির পাশে রাস্তার ধারে কলাগাছের চারা রোপণ করেন শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে আকাশ, বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে কলাগাছের চারা রোপণ কেন্দ্র করে প্রতিবেশী মানিক ও সুমন আত্মীয়-স্বজন এসেছে এসে ওই গাছগুলো কেটে ফেলে এবং গালিগালাজ করে চলে যায়।
পরে এ বিষয়ে শহীদুল্লাহ জানতে চাইলে অভিযুক্ত মানিক (৫০) ও সুমন (৩২) ক্ষিপ্ত হয়ে শহীদুল্লাহর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, এসময় বাবাকে রক্ষা করতে গেলে আকাশকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়, হামলায় আকাশের মাথায় আঘাত লাগে এবং তার হাতের দুটি আঙুল কেটে যায় বলে জানা গিয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও, তাদের অবস্থা আশংকা জনক মনে হলে পরে তাদেরকে ফেনী জেনারেল সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়।
ফেনী সদর হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার জানান,তাদের অবস্থা খুবই আশংকা জনক তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের চট্টগ্রাম বা ঢাকায় স্থানান্তরের করা যেতে পরে, জানা যায়, শহীদুল্লাহর জ্ঞান ফিরলেও তার ছেলে আকাশ এখনো অচেতন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ১জন মাদক সেবনকারী, ঘটনা ৪/৫ আগে সুমনকে ডেকে মাদক সেবন করতে নিষেধ করেন, মুসলিমুর রহমান জামে মসজিদের সেক্রেটারি শহীদুল্লাহ, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গতকাল২৬ এপ্রিল রবিবার মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি শহীদুল্লাহর সাথে অভিযুক্ত সুমনের বাকবিতণ্ডা হয়, তারপর শহীদুল্লাহর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, এসময় বাবাকে রক্ষা করতে গেলে আকাশকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, মসজিদ কমিটির সেক্রেটারির মতো ১ জন সম্মানিত ব্যক্তির উপর এমন মর্মান্তিক হামলা মেনে নেওয়া যায় না, আমরা দোষীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।
শহীদুল্লাহ ছেলে বড় ছেলে আমান উল্যাহ আমান (৩২) বাদি হয়ে ফুলগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন।
আসামীগন হলেন:- মোঃ সুমন (৩২), আব্দুল মালেক মানিক (৫০), মোঃ হারুন (৪০), মোঃ মোস্তফা (৪৫), পপি আক্তার (২৪), মনোয়ারা বেগম (৪২) ও মর্জিনা বেগম (৩৫)।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হামলার কথা স্বীকার করেছে, আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।



























