ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেল্লাপোষী মেলা শেষ, কিন্তু প্রশ্ন আরও বড় হয়ে ফিরে এসেছ কুমিল্লায় স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী গ্রেফতার বাজিতপুর উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আরপিএমপি’র উদ্যোগে গভীর শ্রদ্ধা ও মোনাজাত ফুলবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জরীত ৭জন নারী-পুরুষ আটক প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত সোনাগাজীতে ঈদের আনন্দে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিক্ষার্থীর ঘরে পৌঁছালো কোরবানির মাংস ঠাকূরগাঁও জেলার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি সহ গ্রেফতার-৪

জীবননগরে চিকিৎসক সংকট, সেবা থেকে বঞ্চিত মানুষ

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা
নিজস্ব প্রতিনিধি :

চুয়াডাঙ্গা জেলা জীবননগর উপজেলায় তীব্র চিকিৎসক সংকট ও ঔষুধের অপ্রতুলতায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, ফলে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বিভিন্ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে দেখা গিয়েছে, রোগীর উপস্থিতি থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, অনেক ক্ষেত্রে ১ জন কর্মী দিয়েই চিকিৎসা, ঔষুধ বিতরণ সহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলার উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, আন্দলবাড়িয়া, সাহাপুর ও রায়পুর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে দেখা যায়, উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও আন্দলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে মাত্র ১ জন করে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মী দিয়ে পুরো সেবা চালানো হচ্ছে, এতে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বরত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফারজাহান মুক্তা বলেন, এখানে ১ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন এসএসসিএমও, ১ জন ফার্মাসিস্ট ও ১ জন এমএলএসএস থাকার কথা, কিন্তু আমি একাই চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে শুরু করে ঔষুধ বিতরণ ও কেন্দ্রের অন্যান্য কাজ পরিচালনা করছি, গত ১১ বছর ধরে এখানে কর্মরত—ঝাড়ু দেওয়া থেকে শুরু করে সব কাজই একাই করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, করোনা মহামারীর সময় ১ জন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট ও পর্যাপ্ত ঔষুধ সরবরাহ না থাকায় স্বাস্থ্য সেবার মান দিন দিন অবনতি হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা দূরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন, যা তাদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসক সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ, জনবল বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ঔষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জীবননগরে চিকিৎসক সংকট, সেবা থেকে বঞ্চিত মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
print news

জান্নাতুল ফাহিমা তানহা
নিজস্ব প্রতিনিধি :

চুয়াডাঙ্গা জেলা জীবননগর উপজেলায় তীব্র চিকিৎসক সংকট ও ঔষুধের অপ্রতুলতায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, ফলে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বিভিন্ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে দেখা গিয়েছে, রোগীর উপস্থিতি থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, অনেক ক্ষেত্রে ১ জন কর্মী দিয়েই চিকিৎসা, ঔষুধ বিতরণ সহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলার উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, আন্দলবাড়িয়া, সাহাপুর ও রায়পুর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে দেখা যায়, উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও আন্দলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে মাত্র ১ জন করে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মী দিয়ে পুরো সেবা চালানো হচ্ছে, এতে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বরত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফারজাহান মুক্তা বলেন, এখানে ১ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন এসএসসিএমও, ১ জন ফার্মাসিস্ট ও ১ জন এমএলএসএস থাকার কথা, কিন্তু আমি একাই চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে শুরু করে ঔষুধ বিতরণ ও কেন্দ্রের অন্যান্য কাজ পরিচালনা করছি, গত ১১ বছর ধরে এখানে কর্মরত—ঝাড়ু দেওয়া থেকে শুরু করে সব কাজই একাই করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, করোনা মহামারীর সময় ১ জন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট ও পর্যাপ্ত ঔষুধ সরবরাহ না থাকায় স্বাস্থ্য সেবার মান দিন দিন অবনতি হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা দূরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন, যা তাদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসক সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ, জনবল বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ঔষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।