ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেল ও দুর্নীতির প্রতিবাদে এনসিপির সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি খাগড়াছড়িতে নারী ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা ওয়াদুদ ভূইয়ার দুমকিতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবাধে চলছে মা ইলিশ শিকার শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, ডিসেম্বরে উদ্বোধনের পরিকল্পনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সারের দাবিতে ডিলারের গোডাউনে কৃষকদের হামলা দেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনল গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার শান্ত-মুশফিকের ফিফটি ও ৩২৯ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ দিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে যাচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, থাকবে সচিবের নেতৃত্বাধীন দল রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের শক্তিশালী বিস্ফোরণ, টার্মিনালে আগুন নিরাপত্তার স্বার্থে সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন পদ্ম-শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প থেকে ভোমরা মন্দির পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

মোঃ আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




মোঃ আরিফ হোসেন রনি,
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৬নং ভোমরা ইউনিয়নের পদ্ম শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প থেকে ভোমরা মন্দির পর্যন্ত সড়কটির বর্তমানে চরম বেহাল অবস্থা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ৩ থেকে ৫ মাস আগে সড়কের কাজ শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইটের খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ কোনো ধরনের যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না।

এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিন চরম কষ্ট করে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেককে প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে গিয়ে অন্য জায়গা থেকে যানবাহনে উঠতে হচ্ছে।

এছাড়া ব্যবসায়ীদেরও ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের জন্য অনেককে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে, ফলে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, এই রাস্তাটি পদ্ম শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প হয়ে ভোমরা স্থলবন্দরে যাওয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। পদ্ম শাঁখরা, হাড়দ্দাহ ও আশপাশের এলাকার অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এই সড়কে বর্তমানে ভ্যান ও ট্রলি গাড়ি চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক সময় একটি ভ্যান পার করাতে ৩ থেকে ৬ জন মানুষকে ঠেলে নিতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন পদ্ম-শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প থেকে ভোমরা মন্দির পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৫:০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ আরিফ হোসেন রনি,
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৬নং ভোমরা ইউনিয়নের পদ্ম শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প থেকে ভোমরা মন্দির পর্যন্ত সড়কটির বর্তমানে চরম বেহাল অবস্থা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ৩ থেকে ৫ মাস আগে সড়কের কাজ শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইটের খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ কোনো ধরনের যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না।

এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিন চরম কষ্ট করে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেককে প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে গিয়ে অন্য জায়গা থেকে যানবাহনে উঠতে হচ্ছে।

এছাড়া ব্যবসায়ীদেরও ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের জন্য অনেককে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে, ফলে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, এই রাস্তাটি পদ্ম শাঁখরা বিজিবি ক্যাম্প হয়ে ভোমরা স্থলবন্দরে যাওয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। পদ্ম শাঁখরা, হাড়দ্দাহ ও আশপাশের এলাকার অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এই সড়কে বর্তমানে ভ্যান ও ট্রলি গাড়ি চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক সময় একটি ভ্যান পার করাতে ৩ থেকে ৬ জন মানুষকে ঠেলে নিতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।