লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনার ৫ জন নিহত
- আপডেট সময় : ০৮:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবদুল আজীম স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী মহাসড়কে আবারও ঘটলো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আজ (৬ই জুলাই) শনিবার সকালে চৌমুহনী থেকে লক্ষ্মীপুরগামী আনন্দ পরিবহনের একটি বাস চন্দ্রগঞ্জস্থ কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ গেইটের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীসহ খালে পড়ে যায়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, এ পর্যন্ত ১৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন হলেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের জয়নাল ও মোরশেদ।
প্রতিদিন হাজারো যাত্রী চলাচল করে এই মহাসড়কে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক এখন যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে আনন্দ পরিবহনের বেপরোয়া চলাচলের কারণে। যাত্রী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসগুলোর বেশিরভাগই সঠিক ফিটনেস ছাড়াই সড়কে চলছে। তবুও প্রতিদিন এসব বাস গতির প্রতিযোগিতায় নামে। হঠাৎ বিপজ্জনক ওভারটেক কিংবা মোড় ঘোরার সময় বেপরোয়া চালনা-
সব মিলিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বাড়ছে।
সম্প্রতি একের পর এক ছোটখাটো দুর্ঘটনায় অনেক যাত্রী আহত হলেও কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। যাত্রীদের দাবি, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে চালকেরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
একজন নিয়মিত যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন-
বাসে উঠলেই মনে হয় জানটা হাতে নিয়ে যাচ্ছি। চালকেরা একে অপরকে পেছনে ফেলার প্রতিযোগিতায় নামে। এভাবে চলতে থাকলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে সময় লাগবে না।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, শুধু ফিটনেসবিহীন যানবাহনই নয়, অদক্ষ ও প্রশিক্ষণহীন চালকরাও মহাসড়ককে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করছে।
তাদের মতে, অবিলম্বে ফিটনেস পরীক্ষা, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া এই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। অন্যথায় আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে সময় মাত্র।




























