ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান --ঢাকা বিভাগ,
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান –ঢাকা বিভাগ,

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বহুল আলোচিত গাজী টায়ারস কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭৪ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার বরপা কবরস্থান এলাকার রমজান আলী ভুইয়ার ছেলে রাজু মিয়া, নুরুল আমিনের ছেলে সিহাব, আক্তার হোসেনের ছেলে বেলায়েত হোসেন, সোলেইমান মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ও মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম।

গাজী টায়ারস কারখানার সহ-ব্যবস্থাপক পল রডিক্স বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে রূপসী এলাকার গাজী টায়ারস কারখানায় অজ্ঞাতনামা একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তি গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা কারখানার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৯৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং নিখোঁজ হন ১৭৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর, ১২ অক্টোবর রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কারখানাটিতে নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ব্যবস্থা ছিল অব্যবস্থাপনার মধ্যে, যা এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং আরও কেউ জড়িত থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান –ঢাকা বিভাগ,

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বহুল আলোচিত গাজী টায়ারস কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭৪ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার বরপা কবরস্থান এলাকার রমজান আলী ভুইয়ার ছেলে রাজু মিয়া, নুরুল আমিনের ছেলে সিহাব, আক্তার হোসেনের ছেলে বেলায়েত হোসেন, সোলেইমান মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ও মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম।

গাজী টায়ারস কারখানার সহ-ব্যবস্থাপক পল রডিক্স বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে রূপসী এলাকার গাজী টায়ারস কারখানায় অজ্ঞাতনামা একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তি গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা কারখানার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৯৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং নিখোঁজ হন ১৭৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর, ১২ অক্টোবর রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কারখানাটিতে নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ব্যবস্থা ছিল অব্যবস্থাপনার মধ্যে, যা এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং আরও কেউ জড়িত থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে।