নারী ইউপি সদস্যের অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক জামায়াত নেতা আবুল হাসনাত রতন গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট করেছে পুলিশ। ইউনিয়ন পরিষদের এক নারী সদস্য তার বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করার পর র্যাবের সহায়তায় তাকে ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ (১৯ মে) সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান। তিনি জানান, জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগকারী নারী ইউপি সদস্য উল্লেখ করেন, চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত রতনের সঙ্গে ইউনিয়নের কাজের সুবাদে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৮ মার্চ সরকারি বরাদ্দ সংক্রান্ত আলোচনার কথা বলে চেয়ারম্যান তাকে রংপুর নগরীর আদর্শপাড়ার একটি ভাড়া বাসায় ডেকে নেন। সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আল-আমিন তাকে বাসায় পৌঁছে দেন।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, আল-আমিন বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব দেন। তিনি রাজি না হলে, চেয়ারম্যান জোরপূর্বক তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেন। ঘটনার পরপরই তিনি কয়েকজন ইউপি সদস্যকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে চেয়ারম্যান বিষয়টি সমঝোতার প্রস্তাব দিয়ে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন। কিন্তু বিচার না পেয়ে অবশেষে থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
ঘটনার পর চেয়ারম্যান রতন আত্মগোপনে চলে গেলে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়েন।
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, ‘বালারহাট ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নারী ইউপি সদস্য মামলা করেছেন। তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।’

























