ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের পাঁচ ছাত্র সংসদের পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে থাইরয়েড দায়ী কি না বুঝবেন যেভাবে নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি: বাকৃবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও সংহতি নেপালে বন্যায় মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্গে জায়গা সংকট অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটকে বাংলাদেশ বড় বার্তা দিয়েছে: তালহা জুবায়ের ওআইসির নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হলেন ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ সৈয়দপুরে বাসের লকারে ২৪ কেজি গাঁজা, নারী গ্রেপ্তার আজ কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন

পার্ট-টাইম রাইড শেয়ারিংয়ে আয় বৃদ্ধির উপায় জানালেন কলেজছাত্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বজুড়ে রাইড শেয়ারিং এবং গিগ ইকোনমি বর্তমানে কোটি কোটি মানুষের জন্য আয়ের একটি অন্যতম বিকল্প মাধ্যম হয়ে উঠেছে। উবার, লিফট, গ্র্যাব, বল্ট, দিদি, র‍্যাপিডো, ইনড্রাইভ কিংবা পাঠাওয়ের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো পরিবহণ সেবার পাশাপাশি কাজের ধরনেও বড় পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে বাইক শেয়ারিং সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয়, যেখানে পূর্ণকালীন চালকদের পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী পার্ট-টাইম হিসেবে কাজ করছেন।

সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গালুরুর বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী র‍্যাপিডোর চালক হিসেবে তিন মাস কাজ করার পর তার অর্জিত অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, গিগ ইকোনমি ও অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগ্রহ থেকে কলেজ ছুটির সময় তিনি এই কাজে যুক্ত হন। শুরুতে প্ল্যাটফর্মটির কার্যপদ্ধতি বুঝতে কিছুটা সময় লাগলেও, দ্রুতই তিনি রাইডের চাহিদা বেশি থাকে এমন এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম হন, যা তার আয় বাড়াতে সাহায্য করে।

ওই শিক্ষার্থীর কাজের রুটিন ছিল সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জ্বালানি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে ভালো দিনে তার আয় হতো প্রায় ১ হাজার ২০০ রুপি। তবে দিনের শেষভাগে রাইডের সংখ্যা কমে গেলে তিনি বাড়তি আয়ের জন্য ফুড ডেলিভারির কাজও করতেন। তিনি জানান, খাবার ডেলিভারি করতে গিয়ে অনেক সময় রেস্তোরাঁর সামনে খাবার তৈরির অপেক্ষায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হতো।

আয়ের প্রমাণ হিসেবে তিনি তার অ্যাপের ড্যাশবোর্ডের তথ্য তুলে ধরেন। মে মাসে ৯৬টি ট্রিপ থেকে তার আয় ছিল ৫ হাজার ৬৫০ রুপি, জুন মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৬৬০ রুপিতে এবং জুলাই মাসে ২৩৩টি ট্রিপ সম্পন্ন করে তিনি আয় করেন ১৪ হাজার ২২২ রুপি।

তিন মাসের এই অভিজ্ঞতায় তিনি গিগ কর্মীদের নানা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষা, জ্বালানি খরচ, অনিশ্চয়তা, প্ল্যাটফর্মের নিয়মকানুন এবং গ্রাহক ও রেস্তোরাঁর নানা জটিলতা তাকে শ্রমিকের দৃষ্টিকোণ থেকে গিগ কাজের বাস্তব রূপ দেখিয়েছে। তিনি আরও জানান, অটোরিকশাচালকদের কিছুটা বাঁকা দৃষ্টির শিকার হলেও তিনি কোনো হুমকি বা বড় ধরনের ঝামেলায় পড়েননি। তার এই বাস্তবসম্মত ও শিক্ষণীয় পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্য একজন ব্যবহারকারী জানান, তিনিও বিবিএ পড়ার সময় একইভাবে দৈনিক দেড় হাজার রুপি পর্যন্ত আয় করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

পার্ট-টাইম রাইড শেয়ারিংয়ে আয় বৃদ্ধির উপায় জানালেন কলেজছাত্র

আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বজুড়ে রাইড শেয়ারিং এবং গিগ ইকোনমি বর্তমানে কোটি কোটি মানুষের জন্য আয়ের একটি অন্যতম বিকল্প মাধ্যম হয়ে উঠেছে। উবার, লিফট, গ্র্যাব, বল্ট, দিদি, র‍্যাপিডো, ইনড্রাইভ কিংবা পাঠাওয়ের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো পরিবহণ সেবার পাশাপাশি কাজের ধরনেও বড় পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে বাইক শেয়ারিং সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয়, যেখানে পূর্ণকালীন চালকদের পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী পার্ট-টাইম হিসেবে কাজ করছেন।

সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গালুরুর বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী র‍্যাপিডোর চালক হিসেবে তিন মাস কাজ করার পর তার অর্জিত অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, গিগ ইকোনমি ও অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগ্রহ থেকে কলেজ ছুটির সময় তিনি এই কাজে যুক্ত হন। শুরুতে প্ল্যাটফর্মটির কার্যপদ্ধতি বুঝতে কিছুটা সময় লাগলেও, দ্রুতই তিনি রাইডের চাহিদা বেশি থাকে এমন এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম হন, যা তার আয় বাড়াতে সাহায্য করে।

ওই শিক্ষার্থীর কাজের রুটিন ছিল সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জ্বালানি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে ভালো দিনে তার আয় হতো প্রায় ১ হাজার ২০০ রুপি। তবে দিনের শেষভাগে রাইডের সংখ্যা কমে গেলে তিনি বাড়তি আয়ের জন্য ফুড ডেলিভারির কাজও করতেন। তিনি জানান, খাবার ডেলিভারি করতে গিয়ে অনেক সময় রেস্তোরাঁর সামনে খাবার তৈরির অপেক্ষায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হতো।

আয়ের প্রমাণ হিসেবে তিনি তার অ্যাপের ড্যাশবোর্ডের তথ্য তুলে ধরেন। মে মাসে ৯৬টি ট্রিপ থেকে তার আয় ছিল ৫ হাজার ৬৫০ রুপি, জুন মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৬৬০ রুপিতে এবং জুলাই মাসে ২৩৩টি ট্রিপ সম্পন্ন করে তিনি আয় করেন ১৪ হাজার ২২২ রুপি।

তিন মাসের এই অভিজ্ঞতায় তিনি গিগ কর্মীদের নানা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষা, জ্বালানি খরচ, অনিশ্চয়তা, প্ল্যাটফর্মের নিয়মকানুন এবং গ্রাহক ও রেস্তোরাঁর নানা জটিলতা তাকে শ্রমিকের দৃষ্টিকোণ থেকে গিগ কাজের বাস্তব রূপ দেখিয়েছে। তিনি আরও জানান, অটোরিকশাচালকদের কিছুটা বাঁকা দৃষ্টির শিকার হলেও তিনি কোনো হুমকি বা বড় ধরনের ঝামেলায় পড়েননি। তার এই বাস্তবসম্মত ও শিক্ষণীয় পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্য একজন ব্যবহারকারী জানান, তিনিও বিবিএ পড়ার সময় একইভাবে দৈনিক দেড় হাজার রুপি পর্যন্ত আয় করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor