ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলা করে পার পাওয়ার দিন শেষ: ইরান ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের পাঁচ ছাত্র সংসদের পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে থাইরয়েড দায়ী কি না বুঝবেন যেভাবে নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি: বাকৃবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও সংহতি নেপালে বন্যায় মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্গে জায়গা সংকট অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটকে বাংলাদেশ বড় বার্তা দিয়েছে: তালহা জুবায়ের ওআইসির নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হলেন ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ সৈয়দপুরে বাসের লকারে ২৪ কেজি গাঁজা, নারী গ্রেপ্তার

নেপালে বন্যায় মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্গে জায়গা সংকট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেপালে হিমালয় থেকে নেমে আসা ভোটেকোশি নদীর আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানে ভেসে যাওয়া মানুষের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তা সংরক্ষণ ও শনাক্ত করা কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদেহ রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বুধবারের বন্যায় রাসুয়া ও নুয়াকোট এলাকা থেকে ভেসে আসা মৃতদেহগুলো নুয়াকোট ছাড়াও ভাটির দিকের চিতওয়ান, তানাহুন, নাওয়ালপরাসি ও অন্যান্য এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপরাসির মর্গে জায়গা ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেক মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পোখারার হাসপাতালগুলোও জানিয়েছে যে, বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক মৃতদেহ আসায় তাদের মর্গগুলো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। উদ্ধার করা লাশের চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিতওয়ানের ভরতপুরে কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে বন্যায় মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্গে জায়গা সংকট

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে হিমালয় থেকে নেমে আসা ভোটেকোশি নদীর আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানে ভেসে যাওয়া মানুষের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তা সংরক্ষণ ও শনাক্ত করা কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদেহ রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বুধবারের বন্যায় রাসুয়া ও নুয়াকোট এলাকা থেকে ভেসে আসা মৃতদেহগুলো নুয়াকোট ছাড়াও ভাটির দিকের চিতওয়ান, তানাহুন, নাওয়ালপরাসি ও অন্যান্য এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপরাসির মর্গে জায়গা ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেক মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পোখারার হাসপাতালগুলোও জানিয়েছে যে, বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক মৃতদেহ আসায় তাদের মর্গগুলো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। উদ্ধার করা লাশের চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিতওয়ানের ভরতপুরে কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin