দীর্ঘ ৮ বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরলেন গ্রায়েম ক্রেমার
- আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ লেগ-স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার দীর্ঘ ৮ বছর ৫ মাস ২৯ দিন পর আবারও আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে বল হাতে মাঠে নেমেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৪০ বছর বয়সে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ক্রিকেট বিশ্বে ওয়ানডে ইতিহাসের দীর্ঘতম বিরতির রেকর্ডগুলোকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
২০০৯ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ক্রেমার তাঁর শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ২০১৮ সালের মার্চে। দীর্ঘ বিরতির পর দলে ফিরে তিনি ওয়ানডেতে দুই ম্যাচের মধ্যে দীর্ঘতম বিরতির আন্তর্জাতিক তালিকায় ১৯তম স্থানে নিজের নাম লিখিয়েছেন। তবে জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে দীর্ঘতম বিরতির তালিকায় ক্রেমারই প্রথম নন। তাঁর দেশের বাঁহাতি ব্যাটার সেফাস জুয়াওয়ে ৯ বছর ১৪০ দিনের বিরতি নিয়ে বৈশ্বিক তালিকায় ১২তম স্থানে রয়েছেন।
ওয়ানডে ক্রিকেটে দুই ম্যাচের মাঝে সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতির বিশ্বরেকর্ডটি রয়েছে নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জেফ উইলসনের দখলে। প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলার মাঝে তাঁর ব্যবধান ছিল দীর্ঘ ১১ বছর ৩৩১ দিন। এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন সাবেক পাকিস্তানি এবং বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার এহসান আদিল, যিনি ১১ বছর ৭৮ দিনের বিরতির পর পুনরায় আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলেছেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটেও এমন দীর্ঘ বিরতির নজির রয়েছে। দেশের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ এবং প্রয়াত স্পিনার মোশাররফ হোসেন উভয়েই ৮ বছরেরও বেশি সময় পর ওয়ানডে দলে ফিরেছিলেন। এদিকে ওয়ানডে বাদে সব ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতির রেকর্ডটি আরও বেশি রোমাঞ্চকর। টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার জর্জ গান এক ম্যাচ থেকে অন্য ম্যাচে ফিরতে সময় নিয়েছিলেন রেকর্ড ১৭ বছর ৩১৬ দিন।
দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে গ্রায়েম ক্রেমারের মতো অভিজ্ঞ স্পিনারের প্রত্যাবর্তনে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের বোলিং আক্রমণে যে নতুন অভিজ্ঞতা যুক্ত হলো, তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।




























